সাম্প্রতিক
জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আ. লীগ সন্দেহে আটক শতাধিক আন্দোলন উত্তাল চুয়েট, নতুন ভিসিকে ‘রেড কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা ধানমন্ডিতে নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ নেপালে ভয়াবহ বন্যার এক মাস: নিহত ১,৪৫৩, এখনো নিখোঁজ প্রায় ৬ হাজার ডেঙ্গুতে বেড়েই চলছে মৃত্যু, একদিনে ৮ প্রাণহানি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা: ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি সই’ এমি অ্যাওয়ার্ডসে মনোনয়ন পেল আল-জাজিরার ‘হাসিনা: ৩৬ ডেইজ ইন জুলাই’ রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ডিজে পার্টি, আড়ালে মাদক বিক্রি, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ, সরাসরি ‘না’ ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দিনের সফরে কী কী হলো?
Skip to content

এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ। ফাইল ছবি/ সংগৃহীত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওই পদের বিপরীতে তিনি যে বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন, তা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বুধবার (২৪ জুন) এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৯২তম বাজেট অধিবেশন সভায় আলোচ্যসূচির বাইরে একজন সদস্যের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ সংশোধন করা হয়। একই সভায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে আজীবন মেয়াদে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, ওই সংশোধন ও নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিবহির্ভূত হওয়ায় তা অনুমোদনযোগ্য নয়। এ কারণে ২০২৬ সালের ১৩ জুন অনুষ্ঠিত ৯৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দেওয়া আজীবন নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুন থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক পদের বিপরীতে তিনি যে বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন, তা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরত জমা দিতে হবে।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তের চিঠি পেয়েছেন। তার দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার সঙ্গে অন্যায় করেছে এবং এটি একটি অবিচারমূলক সিদ্ধান্ত।

তিনি বলেন, “পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও এভাবে একটি সম্মানজনক পদ বাতিল করার নজির নেই। আমি প্রায় ৫০ বছর ধরে চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত। আমার অসংখ্য ছাত্র আজ দেশের স্বনামধন্য অধ্যাপক। জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন আচরণ প্রত্যাশা করিনি।”

তিনি আরও বলেন, কারা এবং কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই ভালো বলতে পারবেন।

এনএনবাংলা/