সাম্প্রতিক
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম রাশিয়ায় নতুন করে ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির হাসিনা ও হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ঢাকার চাষের মাছে কাদা-কাদা গন্ধ হয় কেন, কী করলে গন্ধ থাকবে না? জুলাই-পরবর্তী সাংস্কৃতিক পরিসর: পরিবর্তনের ইঙ্গিত কোথায়? সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি সামিরা-আজিজের, দাবি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দেশে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
Skip to content

এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ। ফাইল ছবি/ সংগৃহীত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওই পদের বিপরীতে তিনি যে বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন, তা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বুধবার (২৪ জুন) এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৯২তম বাজেট অধিবেশন সভায় আলোচ্যসূচির বাইরে একজন সদস্যের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ সংশোধন করা হয়। একই সভায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে আজীবন মেয়াদে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, ওই সংশোধন ও নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিবহির্ভূত হওয়ায় তা অনুমোদনযোগ্য নয়। এ কারণে ২০২৬ সালের ১৩ জুন অনুষ্ঠিত ৯৯তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দেওয়া আজীবন নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

আদেশে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুন থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক পদের বিপরীতে তিনি যে বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন, তা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরত জমা দিতে হবে।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তের চিঠি পেয়েছেন। তার দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার সঙ্গে অন্যায় করেছে এবং এটি একটি অবিচারমূলক সিদ্ধান্ত।

তিনি বলেন, “পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও এভাবে একটি সম্মানজনক পদ বাতিল করার নজির নেই। আমি প্রায় ৫০ বছর ধরে চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত। আমার অসংখ্য ছাত্র আজ দেশের স্বনামধন্য অধ্যাপক। জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন আচরণ প্রত্যাশা করিনি।”

তিনি আরও বলেন, কারা এবং কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই ভালো বলতে পারবেন।

এনএনবাংলা/