Skip to content

Upcoming
Norway
0-0
England
Source: ESPN

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন কখন হাঁটবেন, কতটুকু হাঁটবেন

ছবি: শেহতাজ

বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে বাসা বাঁধে বিভিন্ন রোগ। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, আথ্রাইটিস, স্থূলতা, মাংসপেশির শক্তি কমে যাওয়া, হাড়ের ক্ষয়সহ এটা-সেটা আরো কত রোগ।

একটা বয়স পর শরীরিক সুস্থতা নির্ভর করে নিয়মিত শরীরচর্চা ও পরিমিত খাদ্যাভাসের উপর। শরীরকে সতেজ ও চাঙ্গা রাখতে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন। শরীরের অনেক রোগ-বালাই দূর তো হবেই, পাশাপাশি ওজন কমবে এবং শরীরও সুস্থ থাকবে।

হাঁটলে যে শরীরের উপকার হয় এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু হাঁটতে হবে ১০,০০০ পা! এ নিয়ে একটি প্রচলিত গল্পও রয়েছে। জাপানের অধ্যাপক ইয়োশিরো হাতানো ১৯৬৫ সালে এই সংখ্যাটি আবিষ্কার করেন। অলিম্পিকের মাঠে যাওয়ার জন্য তিনি প্রতিদিন ১০,০০০ পা হাঁটতেন। এক মাস এভাবে হাঁটার পর তাঁর হৃদযন্ত্রের প্রচুর উন্নতি হয়, কমে যায় অনেকটা ওজনও। তিনি পরে পরীক্ষা করে দেখান, প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালরি ঝরানো উচিত, তার পুরোটাই সম্ভব এই পরিমাণ হেঁটে! আর এই ১০,০০০ পা হাঁটা মানে ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার পথ।

তবে গবেষণা বলছে, প্রতিদিন কমপক্ষে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটলে ভালো। এছাড়া যদি হাঁটতে ভালো লাগে তবে হাঁটার সময়টা ১ ঘণ্টা পর্যন্তও হতে পারে। আর যারা বেশি হাঁটতে পারে না তারা ৪০ মিনিট হাঁটার সময়টাতে ১০ মিনিটের বিরতি নিতে পারেন। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও শরীর সুস্থ থাকবে। তবে কখনই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত হবে না।

হাঁটার সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে সকাল ও বিকেল। হাঁটার সময় অনেকে বুঝতে পারেন না যে, হাঁটার গতি কেমন হবে। তবে হাঁটার জন্য তেমন নির্দিষ্ট কোনো গতি নেই। প্রথমে ধীরে ধীরে হাঁটা শুরু করার পর ক্রমশ গতি বাড়াতে হবে। শরীরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যতোটুকু পারা যায় গতি বাড়াতে হবে। ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া ঠিক নয়। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত। কারও যদি সকালে অফিসে যাওয়ার ব্যস্ততা থাকে তাহলে ঘুম থেকে একটু আগে ওঠার অভ্যাস করুন।

শরীর খারাপ থাকলে কখনো জোর করে হাঁটা উচিত নয়। হার্টের রোগীরা কখনো সকালে হাঁটবেন না। কারণ হার্টের রোগীরা সকালে হাঁটলে হার্ট অ্যাটক হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

এনএনবাংলা/