




বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, সীমান্ত বিরোধ ও ভূখণ্ড নিয়ে সংঘাতের ভিড়ে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ইস্যু খুব বেশি আলোচনায় না এলেও আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের জন্য এটি এখনও অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। প্রায় দুই শতকের পুরোনো এই বিরোধ এবং ৪৪ বছর আগে হওয়া আড়াই মাসের যুদ্ধ ইতিহাসের অংশ হলেও, সময়-সময় তা আবারও আলোচনায় ফিরে আসে।
এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ম্যাচের আগে ফকল্যান্ড ইস্যু নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন আর্জেন্টিনার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিক্টোরিয়া ভিয়ারুয়েল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইংল্যান্ডকে ‘জবরদখলকারী জলদস্যু দেশ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “আমরা এক জবরদখলকারী জলদস্যু দেশের বিরুদ্ধে খেলতে যাচ্ছি। এটি শুধু একটি ম্যাচ নয়, এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু। আমি অন্যদের মতো রাজনৈতিকভাবে সঠিক বা অনুভূতিহীন মন্তব্য করতে পারব না।”
তিনি আরও বলেন, আর্জেন্টিনা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ফকল্যান্ড—যা দেশটিতে ‘মালভিনাস’ নামে পরিচিত—নিজেদের বলে দাবি জানিয়ে যাবে। পোস্টে তিনি লেখেন, “এ হলো আমাদের মালভিনাস, আমাদের দিয়েগো। আর হানাদারদের রুখে দিতে এটি লিওর শেষ সুযোগ। এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা!”
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি ফুটবলকে রাজনীতির বাইরে রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ঐতিহাসিকভাবে ফকল্যান্ড ইস্যু আমাদের জন্য কষ্টের বিষয়। কিন্তু বহু বছর আগের সেই ঘটনার সঙ্গে এই ম্যাচের কোনো সম্পর্ক দেখি না। এটি একটি ফুটবল ম্যাচ, রাজনৈতিক লড়াই নয়। দুটি বিষয়কে এক করে দেখা পাগলামি।”
এনএনবাংলা/
Tags: ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপআর্জেন্টিনাইংল্যান্ড
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন