Skip to content

সমালোচকদের হুঁশিয়ার করলেন পাপন

অনলাইন ডেস্ক :

আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর দেশে ফিরে গেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। সেমিফাইনালের স্বপ্ন নিয়ে আসলেও মূল পর্বে টানা পাঁচ হারে শেষ হয়ে গেছে মাহমুদউল্লাহদের বিশ্বকাপ। এমন ব্যর্থতার কারণে দেশজুড়ে মুন্ডুপাত হচ্ছে সবার। কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও এখনো থামছে না টাইগারদের বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনার ঝড়। মুশফিক-লিটনদের পাশাপাশি কোচ, নির্বাচক এমনকি বিসিবিও রক্ষা পাচ্ছে না। খোদ বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। গত ৫ অক্টোবর এই  স্রোতে গা ভাসিয়েছেন বিসিবির সাবেক সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীও। পাপনকে অযোগ্য সভাপতি এবং তার অধীনে দলের পারফরম্যান্স বারবার খারাপ হচ্ছে বলে টুইট করছেন সাবের হোসেন। বাংলাদেশকে টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তিতে বড় ভূমিকা রাখা সাবেক এই সভাপতি লিখেছেন, ‘পাপন (নাজমুল হাসান) সাহেবের অধীনে বাংলাদেশ এই নিয়ে ৪টি বিশ্বকাপ খেলে ফেলল। পারফরম্যান্স খারাপ থেকে খারাপতম হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সময় কাটানো (বিসিবি) সভাপতি সবচেয়ে অযোগ্যও। অন্যের ওপর দোষ চাপাতে চাপাতে তিনি আমাদের ক্রিকেটকে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছেন। এটা দুঃখজনক যে আমাদের একটা নির্লজ্জ ক্রিকেট বোর্ড আছে।’ এদিকে সমালোচনার এমন মিছিল নজরে এসেছে বিসিবির। ক্রিকেটারদের ধর্ম, পরিবার, ব্যক্তিগত আক্রমণকে ভালো চোখে দেখছে না সংস্থাটি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন ঢালাও মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। লন্ডনে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘প্লেয়ারদের বাজে পারফরম্যান্সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রলকারী, ধর্ম ও পরিবার জড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণাত্মক মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ ক্রিকেটারদের নিয়ে একের পর এক রম্য, হাস্য-রস দেখা যাচ্ছে ফেসবুকে। টাইগারদের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার কারণে নব নির্বাচিত বিসিবির পরিচালকরাও লজ্জায় পড়েছেন। তাদেরকেও কাঠগড়ায় তুলে এনেছেন সমর্থকরা। পরিচালকদের পদত্যাগ চেয়েছেন অনেকে। দেশের ক্রিকেট ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের দাবি উঠছে। কিন্তু সদ্য নির্বাচিত বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ এখন বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাতেই রয়েছে। টিম ম্যানেজেমেন্টে, কোচিং স্টাফে রদবলের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্বকাপ শেষে পুরো দল ফিরে গেলেও চার ক্রিকেটার রয়ে গেছেন দুবাইয়ে। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদ দেশে ফিরেননি। পাকিস্তান সিরিজের ক্যাম্পের আগে ফিরবেন তারা।