Skip to content

বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম ছুঁয়েছে ৭৪ লাখ

প্রতীকী ছবি

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই টিকিটের চড়া মূল্য নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ছিল। তবে ফাইনালকে ঘিরে সেই উন্মাদনা এখন টিকিটের দামকে নিয়ে গেছে নতুন উচ্চতায়। ম্যাচের ঠিক আগে ফাইনালের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ১০ হাজার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত।

শনিবার ফিফার অফিসিয়াল টিকিটিং ওয়েবসাইটে গোলপোস্টের পেছনের গ্যালারির সবচেয়ে কম দামের টিকিটের মূল্য ছিল ৬ হাজার ৪১১ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ লাখ টাকার সমান। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাটাগরির সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায়।

এরপর বাজারে সবচেয়ে কম দামের টিকিটের মূল্যও বেড়ে প্রায় ১০ হাজার ডলারে পৌঁছে যায়। স্টেডিয়ামের আপার ডেকের কর্নার অংশের এসব টিকিট কিনতে বাংলাদেশি মুদ্রায় গুনতে হচ্ছে প্রায় ১২ লাখ টাকা।

মাঠের কাছাকাছি আসনের টিকিটের মূল্য উঠেছে প্রায় ১৬ হাজার মার্কিন ডলারে। আর বিশেষ হসপিটালিটি প্যাকেজের টিকিটের দাম পৌঁছেছে প্রায় ৬০ হাজার ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৪ লাখ টাকার সমান।

শুধু ফিফার অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মেই নয়, টিকিট পুনর্বিক্রয় ওয়েবসাইট সিটগিক ও স্টাবহাবেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে আপার ডেকের টিকিটের দাম শুরু হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ডলার থেকে, আর লোয়ার বোলের কিছু আসনের মূল্য পৌঁছেছে প্রায় ৩৫ হাজার ডলার।

এবারের বিশ্বকাপ ফাইনালকে ঘিরে সমর্থকদের আগ্রহের অন্যতম কারণ, বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামাল। পাশাপাশি এটি বিশ্বকাপে মেসির সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ বলেও মনে করা হচ্ছে, যা ম্যাচটির আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে রয়েছে ইতিহাস গড়ার সুযোগ। দলটি চতুর্থ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়তে পারে। এর আগে সর্বশেষ ব্রাজিল ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে টানা দুটি বিশ্বকাপ জিতেছিল।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে স্পেন। চলতি আসরে লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করেছেন। এটি তাঁর ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল।

বিশ্বকাপের আগে গত মার্চে কোপা আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মধ্যে ফিনালিসিমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সেই ম্যাচ বাতিল হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত দুই দলের বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর—বিশ্বকাপের ফাইনালেই।

এনএনবাংলা/