সাম্প্রতিক
তেল-চিনি ও ডিমের বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতা শাহজালালের বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০ ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জি-৭ দেশগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার ‘পথিকৃৎ’ হারালাম, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদের উৎস কী, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন হাসনাতের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের বেশি ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেল ২৫০ জনের মধ্যপ্রাচ্যের পথে নতুন রণতরী, ১০ হাজার মার্কিন সেনা: ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে? অক্টোবরে বৃষ্টি কমবে, কমবে তাপমাত্রাও; তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
Skip to content

রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’, মিয়ানমারের বক্তব্যে বাংলাদেশের উদ্বেগ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফাইল ছবি

বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ‘বাঙালি’ হিসেবে মিয়ানমারের উপস্থাপনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকা স্পষ্টভাবে বলেছে, রোহিঙ্গাদের নিজস্ব জাতিগত পরিচয় রয়েছে এবং তাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে অভিহিত করার বিষয়টি বাংলাদেশ গ্রহণ করে না।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মিয়ানমারবিষয়ক মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রোহিঙ্গাদের পরিচয়, সংখ্যা এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৫ আগস্টের বিবৃতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা নিয়ে ভুল পরিসংখ্যান ব্যবহারের বিষয়টি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়। এ সময় মহাপরিচালক মো. তৌফিক-উর-রহমান বলেন, জাতিসংঘের ব্যবস্থায় নিবন্ধিত তথ্যেই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সঠিক সংখ্যা প্রতিফলিত হয়েছে।

একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ। যাচাইয়ের আওতায় রোহিঙ্গা শিবিরে জন্ম নেওয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের পর রাখাইন রাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়।

বাংলাদেশের উদ্বেগ ও পর্যবেক্ষণ মিয়ানমার সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন দেশটির রাষ্ট্রদূত। পাশাপাশি তিনি যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে যাচাইকৃত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করার বিষয়ে মিয়ানমারের অঙ্গীকারের কথাও জানান।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ আবারও জোর দিয়ে বলেছে, রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসন।

এনএনবাংলা/