সাম্প্রতিক
নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলা: সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার মিরপুরে হামলা-অগ্নিসংযোগের কাজ ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’: ডিএনসিসি প্রশাসক আপস মীমাংসায় প্রথম স্ত্রীর জামিন, গাজী নজরুলের জামিনেও বাদীর আপত্তি নেই কানাডা থেকে ৮ মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি বহিষ্কার, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহদী আমিন অক্টোবরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: এমপি মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এলপিজিতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে ব্যবস্থা, ডিসিদের নির্দেশ গরম বাড়তেই আবারও বেড়েছে লোডশেডিং
Skip to content

এশিয়ান গেমস

পাকিস্তানের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ টাইগারদের

ছবি: সংগৃহীত

তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে লড়াইয়ের রসদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ১১১ রানের পুঁজি নিয়ে পাকিস্তানের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপকে আটকে রাখা গেল না। হাসান নাওয়াজ ও আব্দুল সামাদের ব্যাটে শেষ পর্যন্ত ৯ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটে তাই স্বর্ণপদকের লড়াই থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ।

জাপানের নিশিনে বৃহস্পতিবার এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও ভেজা মাঠের কারণে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে সোয়া এক ঘণ্টা পর শুরু হয় ম্যাচ। সময় বাঁচাতে দুই ইনিংসই কমিয়ে আনা হয় ১৩ ওভারে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৪৫ রানেই হারায় চার উইকেট। সেখান থেকে দলের ইনিংস টেনে তোলেন হৃদয়। মোসাদ্দেক হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ৩০ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াইয়ের জায়গায় নিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৫ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে মুকিমের বলে আউট হন হৃদয়।

তাঁর ইনিংসে ছিল এক চার ও চারটি ছক্কা। মোসাদ্দেক করেন ১১ রান। শেষ দিকে শেখ মেহেদি হাসানের ৮ রানে ভর করে ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বোলারদের ওয়াইডসহ অতিরিক্ত থেকে আসে ১৯ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। মেহেদি হাসানের বলে ফিরে যান সাহিবজাদা ফারহান। এরপর নাসুম আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানও উইকেট এনে দেন। রিশাদ হোসেনের বলে উসমান খান ফিরলে ৫৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান। তবে এরপর ম্যাচের চিত্র বদলে দেন হাসান নাওয়াজ ও আব্দুল সামাদ। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৫৯ রানের জুটিতে দ্রুতই লক্ষ্যের কাছে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। সামাদ ১৫ বলে ৩০ এবং নাওয়াজ ২২ বলে ২৭ রান করেন।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ২ ওভারে ৪১ রান খরচ করেন তিনি। নাসুম ৩ ওভারে দেন ৩৩ রান। শেষ পর্যন্ত ১১.৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। এই জয়ে ফাইনালে উঠে স্বর্ণপদকের লড়াই নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। আর বাংলাদেশের সামনে এখন ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচ।

এনএনবাংলা/এনজেড