Skip to content

Upcoming
France
0-0
Senegal
Source: ESPN

মানিকছড়িতে একাধিক বিয়ের কারণে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিল স্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি, খাগড়াছড় :
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে একাধিক বিয়ের কারণে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী জোসনা বেগম(৪০)। গুরুতর আহত স্বামী মো: দেলোয়ার হোসেন(৫০) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। পুলিশ
জোসনা বেগমকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পুলিশের কাছে ঘটনা স্বীকার করেছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে মানিকছড়ির গচ্ছাবিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, তাবলীগ জামাতের স্থানীয় আমীর ও ভূমি বেচা-কেনার ব্রোকার মো: দেলোয়ার হোসেন(৫০) রবিবার রাতের খাবার খেয়ে গচ্ছাবিলের নিজ বাসায় স্বামী-স্ত্রী শোয়ে পড়েন। বাসায় দুই শিশুও ছিল। সোমবার দীবাগত রাত ১টার দিকে স্ত্রী জোসনা বেগম ধারালো ব্লেড দিয়ে ঘুমন্ত স্বামী দেলোয়ারের পুরূষাঙ্গ কেটে দেন। এতে তিনি আত্মচিৎকার শুরু করলে আশেপাশের লোকজন এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে সাথে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে মানিকছড়ি থানার পুলিশ রাত দেড়টার দিকে জোসনা বেগমকে তার বাসা থেকে আটক করে। গচ্ছাবিলের (২ নং
ওর্য়াড) ইউপি মেম্বার মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ঘটনা ঘটার পর দেলোয়ার মোবাইলে তার তাবলীগ জামাতের লোকজনদের খবর দিলে তারা এসে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে খবর পেয়ে তিনি নিজেও হাসপাতালে দেখতে যান।
ইউপি মেম্বার জানান, দেলোয়ার একাধিক বিয়ে করার কারণে স্ত্রী জাসনা ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে শুনেছি। তিনি বলেন, সম্প্রতি তিনি আরও একটি বিয়ে করার পর নতুন স্ত্রীকে বাসায় তোলার বিষয়ি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমানিল্য দেখা দেয়।
এনিয়ে ঝগড়াবিবাদও হয়। সাংসারিক এ কলহের জের ধরে জোসনা বেগম এ ঘটনাটি ঘটায়। তিনি জানান, জোসনার সংসারে্ এক ছেলে ও ৪ মেয়ে রয়েছে। জোসনা বেগমও দেলোয়ারের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে শুনেছেন। মানিকছড়ি থানার অফিসার ইনর্চাজ(ওসি) মোহাম্মদ শাহনূর আলম বলেন, একাধিক বিয়ের বিষয় নিয়ে পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্ত্রী জোসনা বেগম স্বামী দেলোয়ারেরপুরুষাঙ্গ র্কেতন করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জোসনা পুলিশের কাছে এ কথা স্বীকার করেছেন। সোমবার বিকালে ওসি শাহনূর আলম আরও বলেন, ভিকটিমের চিকিৎসা নিয়ে তার আত্মীয়স্বজন ব্যস্ত থাকায় এখনও থানায় মামলার
এজাহার দায়ের করতে পারেনি। এজাহার পেলে মামলা রুজু এং আইনী প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।