সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

রেমিটেন্স বেড়েছে ৩৬ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মহামারি করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে দেশে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ২ লাখ ১০ হাজার ১১৪ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিটেন্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৮০৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। রেমিটেন্সের ওপর ভর করে বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ। রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ। গত সোমবার দিন শেষে ৪৬ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৬৪৩ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের জুন মাসে প্রবাসীরা ১৯৪ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। ব্যাংকাররা বলেছেন, বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠালে ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। তার সঙ্গে কয়েকটি ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান আরও ১ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। যে কারণে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে রেমিটেন্স। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, এর আগে কখনো এক অর্থবছরে এই পরিমাণ রেমিটেন্স আসেনি। ২০০১-০২ অর্থবছরে ২৫০ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়ে রেমিটেন্সের প্রবৃদ্ধির রেকর্ড গড়েছিল প্রবাসীরা। যা ২০০০-০১ অর্থবছরের চেয়ে ৩২ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি ছিল। পরবর্তীকালে ২০১৩-১৪, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেমিটেন্স কমে যায়।