Skip to content

Upcoming
Germany
0-0
Curaçao
Source: ESPN

শ্রীলঙ্কায় নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

এপি, কলম্বো :

শ্রীলঙ্কার নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহের পদত্যাগের দাবিতে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করছে। বুধবার তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভকারীরা কলম্বোয় তার কার্যালয়ে হামলা করেছে।

এর আগে বিক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের বাড়ি ও অফিস দখল করে। এদিন একটি সামরিক জেটে করে গোতাবায়া মালদ্বীপ পালিয়ে যান এবং বিদেশে থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেন।

দায়িত্ব পাওয়ার পর বিক্রমাসিংহে দ্রুত দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। যাতে করে দেশটিতে চলমান বিক্ষোভ বন্ধ করা যায়।

তবে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিক্রমাসিংহের নিয়োগ কয়েক হাজার বিক্ষোভকারীকে শান্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বিক্রমাসিংহের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে গোতাবায়া রাজাপাকসে বুধবার পদত্যাগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে সংসদের স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্দেনা বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি অবিলম্বে তা (পদত্যাগ)করবেন। যদি তিনি পদত্যাগ করেন তাহলে ২০ জুলাই পার্লামেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহেও পদত্যাগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবে নতুন সরকার গঠন হওয়া পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় থাকবেন।

ছয়বারের প্রধানমন্ত্রী বিক্রমাসিংহের সর্বশেষ মেয়াদটি ছিল সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। গত মে মাসে রাজাপাকসে বিক্রমাসিংহেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করেন; এই আশায় যে অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদ তার কূটনীতি ও যোগাযোগ দক্ষতা দিয়ে ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করবেন। কিন্তু জ্বালানি, ওষুধ ও রান্নার গ্যাসের ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় এবং তেলের মজুত কমে যাওয়ায় জনগণের ধৈর্য্য কমে যায়।

দেশটি ভারত ও অন্যান্য দেশের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে টিকে আছে। দেশটির নেতারা এখনও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে একটি বেলআউট নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করছেন৷

কয়েক মাস ধরে চলা বিক্ষোভ দুই দশকের বেশি সময় ধরে শ্রীলঙ্কাকে শাসন করা রাজাপাকসের রাজনৈতিক রাজবংশকে ভেঙে দিয়েছে। এই পরিবারের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপর গত মে মাসে প্রেসিডেন্টের বড় ভাই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। নিরাপত্তার স্বার্থে তখন তাকে একটি নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।