Skip to content

Upcoming
Portugal
0-0
Congo DR
Source: ESPN

প্রতারণার মামলা থেকে রেহাই পেলেন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি এমপি আফসানা

অনলাইন ডেস্ক :

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে লেবার পার্টির এমপি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আফসানা বেগমকে ‘প্রতারণা করে ফ্ল্যাট পাওয়ার’ মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। যুক্তরাজ্যের স্নেয়ার্সব্রুক ক্রাউন কোর্ট এ মামলার তিনটি অভিযোগ থেকেই আফসানা বেগমকে অব্যাহতি দিয়েছে। শনিবার (৩১ জুলাই) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। গত ১ সপ্তাহ ধরে এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আফসানা শুনানি চলাকালীন আদালতে তার ব্যক্তিগত জীবনের বিষাদময় ঘটনা তুলে ধরেন। বর্ণনায় বলেন, কিভাবে পরিবার থেকে বিতাড়িত হয়ে পরে সাবেক স্বামী দ্বারা নির্যাতন ও প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন। আদালতে তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের মার্চ পর্যন্ত আনীত আবাসন জালিয়াতির অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছিলেন আফসানা। মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি ‘প্রভাব খাটিয়ে’ লন্ডন কাউন্সিলের ৩০০ হাজার পাউন্ড দামের একটি ফ্ল্যাট পেয়েছেন এবং সঠিক তথ্য গোপন করেছেন। লেবার পার্টির সাবেক লিডার জেরেমি করবিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আফসানা। তিনি ঘরের জন্য প্রথম আবেদন করেন ২০১১ সালে। তখন তিনি তার বাবা-মার সঙ্গে ছিলেন। পরে ২০১৪ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর বাবা-মার ঘর থেকে স্বামীর সাথে চলে আসেন। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলে তিনি ঘরের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার তালিকায় থাকলেও মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ঘর পেয়ে যান। যদি বলা হয়েছে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তার কোনো সন্তানও ছিল না, এরপরও ৩০ বছর বয়সী আফসানা মাত্র ৬ মাসের মধ্যে স্থানীয় আইলস অব ডগ এর মতো জায়গায় ৩০০ হাজার পাউন্ডের ফ্লাট পেয়ে যান। আফসানা ব্রিটেনের সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে লন্ডনের সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি বহুল এলাকা পপলার লাইমহাউস এলাকা থেকে লেবার পার্টির মনোনয়ন পেয়ে চমক সৃষ্টি করেন। লেবার পার্টির নিরাপদ এ আসনটি থেকে মনোনয়ন পাওয়া মানেই অনেকটা নিশ্চিত বিজয়। যদিও মনোনয়ন যুদ্ধে খোদ বাঙালিদেরও বিরোধিতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাকে। গত নির্বাচনে কনজারভেটিভ প্রার্থী শিউন ওককে প্রায় ২৯ হাজার ভোটে হারিয়ে এমপি নির্বাচিত হন লেবার পার্টির প্রার্থী আফসানা বেগম। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা টাওয়ার হ্যামলেটসে হলেও বাংলাদেশে তার বাবার বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে। আফসানার বাবা মনির উদ্দিন টাওয়ার হ্যামলেটসের কাউন্সিলর ছিলেন।