সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

সাকিবকেই শুভেচ্ছাদূত করেছিল দুদক

অনলাইন ডেস্ক :

মাঠের বাইরের ঘটনা দিয়ে গত মাস দুয়েক ধরে নিয়মিত আলোচনায় আছেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিবের বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ উঠেছে। জুয়া কম্পানির সঙ্গে চুক্তি, শেয়ার বাজারে কারসাজির পর নিজের বাবার নাম জালিয়াতি করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে! অথচ, চার বছর আগে এই সাকিবকেই শুভেচ্ছাদূত করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। বিশ্বের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান নানা ঘটনায় বারবার বিতর্কিত হয়েছেন। তবে গত কিছুদিন ধরে যেসব ঘটনা সামনে আসছে, তা হতবাক হওয়ার মতোই। নানা ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার পর সাকিব পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন। যৌথ অংশীদারিত্বে খোলেন ব্রোকারেজ হাউজ মোনার্ক হোল্ডিংস। এই মোনার্ক হোল্ডিংসের নাম উঠে এসেছে শেয়ার কারসাজিতে। সেই ঘটনার রেশ না কাটতেই আরও একটি ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ উঠেছে, সাকিব তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘মোনার্ক হোল্ডিংস’-এর কাগজপত্রে নিজের বাবার নামের জায়গায় ভুয়া নাম ব্যবহার করেছেন। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের বাবা খন্দকার মাশরুর রেজার বিপুল পরিচিতি আছে। কিন্তু মোনার্ক হোল্ডিংয়ের কাগজপত্রে সাকিবের বাবার নামের জায়গায় লেখা হয়েছে ‘কাজী আবদুল লতিফ’। সাকিব এটাকে ‘মিসটেক’ হিসেবে দাবি করলেও দুটি নামের মাঝে পার্থক্য অনেক। এই কাজী আবদুল লতিফ হলেন আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুর শ্বশুর। যার বিরুদ্ধে এত দুর্নীতির অভিযোগ, সেই সাকিবকেই ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুভেচ্ছাদূত করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই সময়কার দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, ‘সাকিবের মতো যুব সমাজ যদি ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাহলে কার এত সাহস আছে যে দুর্নীতি করে?’ এরপর ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর সাকিব জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করে আইসিসি কর্তৃক নিষিদ্ধ হন। এর দিন চারেক পর তিনি দুদক কার্যালয়ে গিয়ে শুভেচ্ছাদূতের দায়িত্ব ছেড়ে দেন বলে জানা গেছে।