সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবিহ উদ্দিন মারা গেছেন

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক সচিব সাবিহ উদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন। সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে ৭৬ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান ইউএনবিকে বলেন, ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহ উদ্দিন সোমবার সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুর খবর শুনে উত্তরা থেকে সাবিহ উদ্দিনের গুলশানের বাসায় ছুটে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান।

ফখরুল ও সাবিহ উদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একই ব্যাচের ছাত্র এবং ব্যক্তিগত জীবনে তারা ছিলেন ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

ছাত্রজীবন শেষে করে সাবিহ উদ্দিন আহমেদ পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর তিনি বিভিন্ন মন্ত্রীর তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি তথ্য ক্যাডারে ফিরে আসেন।

২০০১ সালে সাবিহ উদ্দিন আহমেদ পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হন।

সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণের পর সাবিহ উদ্দিন আহমেদ সক্রিয়ভাবে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন এবং দলের চেয়ারপার্সনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হন।

স্নায়বিক জটিলতার কারণে ২০১৭ সাল থেকে তিনি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন।

—ইউএনবি