সাম্প্রতিক
নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে শেখ হাসিনা-আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল, নেপথ্যে কী? দলের নাম ও প্রতীক দুটোই হাতছাড়া মমতার ব্যবসায়ীদের চাপে ‘গুজরাটের ইলিশ’ আমদানি, জানত না মন্ত্রণালয় বাজারে উধাও ১ লিটারের সয়াবিন, খোলা তেলের দামও চড়া গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাওয়া বিএনপি এখন তা চায় না: নাহিদ ইসলাম পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট: সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ ও বিয়ের দাওয়াতে এক পদ গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৯ মার্চ লবণাক্ততায় হারাচ্ছে সুন্দরবনের ঔষধি গাছ, বিলুপ্তির পথে ভেষজ চিকিৎসা ও জ্ঞান
Skip to content

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ

তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কীভাবে বিদায় নেবেন: নাহিদ ইসলাম

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি সরকারে এসে জনগণের মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, তাদের জায়গা হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে। তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুরমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের অধিকার হরণ ও গণতন্ত্র ধ্বংস করছে। সংসদের সর্বশেষ অধিবেশনে সরকার গুম ও মানবাধিকারসংক্রান্ত আইন পাস করেছে এবং র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, যেখানে সরকারের দায়িত্ব ছিল মানবাধিকার সুরক্ষা দেওয়া, সেখানে তারা মানবাধিকার হরণের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার সরকার যেসব আইন ও প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে জনগণের অধিকার হরণ করেছে, বর্তমান সরকারও সেগুলো ব্যবহার করা শুরু করেছে।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘বিগত ১৬ বছর আমরা মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি। আপনারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু এই বিএনপি এখন সরকারে এসে নিজেরাই জনগণের মানবাধিকার হরণ করছে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে।’

তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন, সেই সিদ্ধান্ত তাকে নিতে হবে। তিনি হেলিকপ্টারে করে দেশ ছাড়বেন, নাকি সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করবেন—সেটিও তাকে ঠিক করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদত্যাগের উদাহরণও টানেন নাহিদ।

এদিকে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ ঘিরে ‘গণজোয়ার’ শুরু হয়েছে দাবি করে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, লংমার্চের পথে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তার দাবি, বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের লোকজনও এ কাজে যুক্ত হয়েছে। তবে ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে লংমার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিরোধী দলের লংমার্চের দাবির সংখ্যা বাড়ছে, তবে শেষ পর্যন্ত সব দাবি এক দফায় গিয়ে ঠেকবে। এ জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সমাবেশে সমাপনী বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

এনএনবাংলা/