সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

৭ ডিসেম্বর শেরপুর মুক্ত দিবস

জেলা প্রতিনিধি, শেরপুর :

১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর শেরপুর পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়। বাংলার মুক্তিবাহিনী ও ভারতের মিত্রবাহিনী যৌথভাবে শেরপুরকে মুক্ত করতে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে।
শেরপুর, জামালপুর, কামালপুর ও টাঙ্গাইল সেক্টর-১১ এর অধীনে ছিল এবং কর্নেল তাহের ছিলেন এর কমান্ডার। শেরপুরের ৮৪ জন বীর সন্তান পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করে জীবন দিয়েছেন। শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার ৩০-৪০টি স্থানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৯৭১ সালের ২৬শে এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী শেরপুর শহরে প্রবেশ করে এবং গুলিবর্ষণ শুরু করে। তারা শনিবিগ্রহ মন্দিরের পুরোহিতকে হত্যা করে। তারপর তারা চালায় বেপরোয়া লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, দখল, ধর্ষণ, নৃশংস গণহত্যা।
১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই নালিতাবাড়ীর সোহাগপুর গ্রামে ১৮৭ জন নিরীহ পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনারা।
স্থানীয় দালালদের সহায়তায় পাকসেনারা শ্রীবরদীর জগৎপুর আক্রমণ করে ৬১ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যা করে
১১ নভেম্বর । সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহের ১৩ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের শত্রুদের আক্রমণের নির্দেশ দেন। ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর শেরপুর-বকশীগঞ্জ সড়কে মুক্তিযোদ্ধারা পাকসেনাদের ওপর আক্রমণ করে মেজর আইয়ুবসহ পাকবাহিনীর দুই প্লাটুন সৈন্যকে হত্যা করে।
২৪ নভেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের সুর্যদী গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাসহ ৪৭ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
মুক্তিযোদ্ধাদের লাগাতার প্রতিবাদে ৪ ডিসেম্বর কমলাপুর ক্যাম্পের পাকসেনারা আত্মসমর্পণ করে। একপর্যায়ে তারা মনোবল হারিয়ে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর রাতে জামালপুর পিটিআই ক্যাম্পে ফিরে যায়।
৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১ শেরপুর পাকিস্তানি বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়। ওই দিন ভারতীয় মিত্র বাহিনীর কমান্ডার জগজিৎ সিং অরোরা হেলিকপ্টারে করে শেরপুর শহরের শহীদ দরগ আলী পার্কে অবতরণ করেন। শেরপুরবাসী তাকে স্বাগত জানিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ায় ।