সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন কোয়েটজার

অনলাইন ডেস্ক :

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আর না খেলার সিদ্ধান্ত নেন গত বছর। এবার জাতীয় দলকেই বিদায় বলে দিলেন স্কটল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কাইল কোয়েটজার। ক্রিকেট স্কটল্যান্ড বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায় কোয়েটজারের অবসরের কথা। গত ফেব্রুয়ারিতে নেপালের বিপক্ষে খেলা ওয়ানডেটি হয়ে রইল দেশের জার্সিতে ৩৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের শেষ ম্যাচ। গত বছরের মে মাসে স্কটল্যান্ডের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোয়েটজার। মাস দুয়েক পর বিদায় বলে দেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিকে। এবার গুটিয়ে নিলেন আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। কোচিংয়ে নতুন ক্যারিয়ার শুরু করতে যাচ্ছেন কোয়েটজার। উইমেন’স হান্ড্রেডে নর্দান ডায়মন্ডসের সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। ২০০৮ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন কোয়েটজার। এই সংস্করণে ৭০ ম্যাচে ৬ ফিফটিতে তিনি রান করেছেন ১ হাজার ৪৯৫। ওই একই বছর ইংল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু কোয়েটজারের ওয়ানডে ক্যারিয়ার। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ৮৯ ম্যাচে ৫ সেঞ্চুরি ও ২১ ফিফটিতে তার রান ৩ হাজার ১৯২। বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা স্কটল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান কোয়েটজার। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ১৫৬ রানের ইনিংস, যদিও ম্যাচটি হেরে যায় তারা। অধিনায়কত্বে বেশ সফল ছিলেন কোয়েটজার। ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডকে হারানোর ইতিহাস গড়ে স্কটল্যান্ড তার নেতৃত্বেই। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে খেলে দলটি তার কাঁধে ভর করে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে স্কটল্যান্ডকে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড কোয়েটজারের। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জিতেছেও দলটি তারই সময়।