সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

আবারও চমক নিয়ে আসছে নিশো-মেহজাবীন

অনলাইন ডেস্ক :

কয়েকবছর ধরেই নাটক-ওয়েব সিরিজের একের পর এক নিজেদের ভাঙছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তাদের অভিনয় বরাবরই মুগ্ধ করছে দর্শকদের। বর্তমানে নিজের নিয়মিত কাজের পাশাপাশি আসন্ন ঈদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন মেহজাবীন। অন্যদিকে ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমার শুটিং নিয়ে সুনামগঞ্জ থেকে চট্টগ্রাম ছুটে চলছেন নিশো। এরইমাঝে নিজেদের নামের পাশে আরও একটি নতুন পরিচয় যুক্ত করলেন তারা। মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ-এর ব্র্যান্ড এনডোর্সার হলেন মেহজাবীন চৌধুরী ও আফরান নিশো। সম্প্রতি বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যান্ড এনডোর্সার হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেন জনপ্রিয় এই দুই তারকা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। জানা গেছে, ব্র্যান্ড এনডোর্সার হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে বিকাশের সেবাগুলো সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রতিষ্ঠানটির মূল্যবোধের প্রসারে নানা ধরনের প্রচারণামূলক কার্যক্রমে অংশ নেবেন তারা। এ প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন, ‘প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সেবার মাধ্যমে মানুষের ডিজিটাল লাইফস্টাইলের অংশ হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের সেবাগুলো ব্যবহারে তরুণ প্রজন্মসহ সকলকে আরও উৎসাহিত করে ক্যাশলেস স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারার সুযোগ আমার জন্য সম্মানের।’ নিশো বলেন, ‘এই প্রয়োজনীয় সেবাকে আগামী দিনে আরও বেশি মানুষের কাছাকাছি পৌঁছে দিতে কাজ করতে পারাটা এক ধরনের আত্মতৃপ্তির।’ এছাড়া নিজের সিনেমার শুটিং অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করছে। এটা আমার প্রথম সিনেমা। সুনামগঞ্জের দুর্গম এলাকায় আমরা সবাই মিলে প্রায় ১০দিন শুট করেছি। সবার থাকা-খাওয়ার খুব কষ্ট ছিল। এখনও দুই স্লট শুটিং বাকি আছে। আমাদের সবার অনেক পরিশ্রম হলেও প্যারফমেন্সে দর্শকরা উপভোগ্য, রুচিশীল, মার্জিত কিছু দেখতে পাবেন।’