সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

মাহি কান্ডে মুখ খুললেন ইলিয়াস কাঞ্চন

অনলাইন ডেস্ক :

সম্প্রতি পুলিশের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। গত শনিবার গ্রেপ্তারের পর কারাগারে নেওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই জামিনে মুক্তি পান এই অভিনেত্রী। তবে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে এভাবে গ্রেপ্তারের বিষয়টি মানতে পারেননি বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকা। মাহিকে সমর্থন জানিয়ে সেসময় অনেকেই কথা বলেছেন। ঘটনাটি নিয়ে এবার মুখ খুললেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এখানে আমার স্ত্রী ও ছেলের সঙ্গে আছি। তারাও দেখেছে পুরো ঘটনাটি। তারা বলল, মাহি যে রকমই হোক, সে তো একজন শিল্পী। তাকে এয়ারপোর্ট থেকে এভাবে আটক করতে হবে! সে তো বিশাল বড় কোনো একজন কিলারও নয়। তাকে যদি আটক করতেই হয়, বাসা থেকেও তো করা যেতো। এয়ারপোর্টে নামার সঙ্গে সঙ্গে যেভাবে আটক করা হলো, তাতে মনে হয়েছে, দেশের মধ্যে কোনো ডন আসছে। তাকে এয়ারপোর্ট থেকে আটক না করলে, সে পালিয়ে যাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কৃতি জগতের সবারই ভাবমূর্তির বিষয় আছে। সেগুলো তো অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত ছিলো ওই পুলিশ কর্মকর্তার। কাজটা এ রকমভাবে করা উচিত হয়নি। যেভাবে এয়ারপোর্ট থেকে আটক করা হলো, কয়েক ঘণ্টা পর আবার ছেড়েও দিলো। তাহলে বিশাল ক্রিমিনালকে যেভাবে ট্রিট করে, একজন শিল্পীকে নিয়ে সে কাজটা কেনো করলো! এই কাজ করে ওই পুলিশ কর্মকর্তা শুধু ক্ষমতা প্রদর্শন করলেন, তা তো নয়, আমাদের চলচ্চিত্রের জন্য ক্ষতিকর কাজটিই তিনি করলেন। সর্বজন পরিচিত চলচ্চিত্রের একজন শিল্পীকে এভাবে আটক করা মোটেও ঠিক হয়নি। তাকে এভাবে আটক করাটা তার ইমেজ ক্ষুণœ করা, শিল্পীদের ইমেজ ক্ষুণœ করা এবং ব্যবসায়িকভাবে চলচ্চিত্রের জন্য ক্ষতি করা।’