সাম্প্রতিক
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম রাশিয়ায় নতুন করে ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির হাসিনা ও হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ঢাকার চাষের মাছে কাদা-কাদা গন্ধ হয় কেন, কী করলে গন্ধ থাকবে না? জুলাই-পরবর্তী সাংস্কৃতিক পরিসর: পরিবর্তনের ইঙ্গিত কোথায়? সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি সামিরা-আজিজের, দাবি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দেশে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
Skip to content

বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করতে চায় আফগানিস্তান

অনলাইন ডেস্ক :

আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলতি সিরিজের আগে একটি জায়গায় শুধু ছিল ইংল্যান্ডের নাম। গত ৯ বছরে বাংলাদেশের মাঠে সফরকারী দল হিসেবে সিরিজ জিততে পেরেছে কেবল তারাই। এবার সেখানে যুক্ত হলো আফগানিস্তানের নাম। ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটসম্যান ও আফগানিস্তানের কোচ জোনাথন ট্রট মুচকি হেসে বললেন, ‘ইংল্যান্ডের সঙ্গে মিল থাকাটা দারুণ!’ এখন তারা ছাড়িয়ে যেতে চান ইংল্যান্ডকে। দেশের মাঠে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার প্রায় ভুলে যাওয়া স্বাদ বাংলাদেশকে দিতে চান আফগান কোচ। ওয়ানডেতে বাংলাদেশে এসে সিরিজ জয় করা প্রতিপক্ষের জন্য কতটা দুঃসাধ্য, সেটি ফুটে ওঠে এই তথ্যেই। ২০১৪ সালের জুনের পর থেকে এখানে এসে সিরিজ জিততে পেরেছিল কেবল ইংল্যান্ড। ২০১৬ সালের অক্টোবরে তারা ২-১ ব্যবধানে হারায় মাশরাফি বিন মুর্তজার বাংলাদেশ দলকে। এরপর ৮ বছরের বেশি সময় বাংলাদেশ সিরিজ হারেনি দেশের মাঠে।

এরপর গত মার্চে ইংল্যান্ড আবার ২-১ ব্যবধানে জেতে তামিম ইকবালের বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে। এখন আর ইংল্যান্ড একমাত্র দল নয়। বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছে আফগানিস্তানও। আগে দুই দফায় এখান থেকে সিরিজ হেরে গেলেও এবার প্রথম দুই ম্যাচেই তারা নিশ্চিত করেছে সিরিজ জয়। ঈদুল আজহার আগে মিরপুরে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৫৪৬ রানের বিধ্বস্ত হয়েছিল আফগানিস্তান। এরপরই আফগানরা করণীয়টা বুঝে গিয়েছিল, ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর বললেন কোচ ট্রট। “টেস্ট ম্যাচটি যেভাবে গিয়েছে, সেই হতাশাকে সঙ্গী করেই আবার বাংলাদেশে পা রেখেছি। দল হিসেবে আমরা শিখেছি। আমরা উপলব্ধি করেছি যে, খেলার সবগুলি বিভাগে বাংলাদেশ কতটা উন্নতি করেছে। আমাদেরও তাই নিজেদের খেলার চূড়ায় থাকা প্রয়োজন এখানে এসে লড়াই করার জন্য, যেটা আমরা এবার পেরেছি।”

টেস্ট দলের যারা সীমিত ওভারে খেলেন, তারা আর দেশে ফিরে যাননি এরপর। বাংলাদেশ থেকেই তারা চলে যান আবু ধাবিতে। সীমিত ওভারের দলের নিয়মিতরা সেখানে যোগ দেন তাদের সঙ্গে। ঈদের ছুটিতে দেশে না ফিরে তারা অনুশীলন চালিয়ে যান বাংলাদেশের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজকে লক্ষ্য করে। সেটির ফল তাদের মিলেছে। আফগানরা এই ফলাফলে স্বাভাবিকভাবেই সন্তুষ্ট। তবে তৃপ্তিতে বুঁদ হয়ে থাকতে চান না তারা। সামনের এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে তাকিয়ে উন্নতির ধারা ধরে রাখতে চান আফগানিস্তানের কোচ। সেই পথে ছুটতে চান তিনি বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করে। “এটাও গুরুত্বপূর্ণ যে, পরের ম্যাচে আমরা যেন মনোযোগ দেই। আমরা এমনিতে খুব বেশি ভেঙে পড়ি না, খুব বেশি উত্তেজিতও হই না। এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের দিকে তাকিয়ে উন্নতি করতে চাইলে এখানেই আমরা তৃপ্ত হতে পারি না।

এরকম প্রতিযোগিতায় ও টুর্নামেন্টে জিততে হয় এবং সেই জয়ের ধারা ধরে রাখতে হয়। একটা সিরিজ জিতেই রিল্যাক্স করা যায় না। ধরে রাখতে হয়। আমাদের সামনে তাই চ্যালেঞ্জ হলো আজকের মতো পারফরম্যান্স ধরে রাখা।” “তবে বাংলাদেশ ভালো দল। আমার মনে হয়, তারা এখানে (সিরিজ) হারেনিৃ কত বছর ধরে? ৮ বছরৃ ওহ, ইংল্যান্ডের সঙ্গে একটি মিল থাকা দারুণ ব্যাপার (হাসি)ৃ এটা ভালো। আশা করি, তৃতীয় ম্যাচটিও আমাদের ভালো যাবে এবং ৩-০ করতে পারব।” ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার কাছে ৩-০ ব্যবধানে হারের পর দেশের মাঠে ওয়ানডেতে তার হোয়াইটওয়াশড হয়নি বাংলাদেশ। আফগানিস্তান পারবে কি না, নাকি এড়াতে পারবে বাংলাদেশ, তা জানা যাবে মঙ্গলবার। সিরিজের শেষ ম্যাচ চট্টগ্রামেই।