সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

তিন বছর পর মায়ার্স আবারও সেই চট্টগ্রামে

অনলাইন ডেস্ক :

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে চট্টগ্রামের সাগরিকায় টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার কাইল মায়ার্সের। স্বাগতিক বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেই টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ২১০ রান করে ম্যাচ-সেরা হয়েছিলেন মায়ার্স। ঠিক তিন বছর পর আবার সেই সুখস্মৃতিকে চট্টগ্রামে ফিরিয়ে আনলেন মায়ার্স। তবে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে নয়, পারফর্ম করেছেন চলমান বিপিএলে। গত শনিবার সিলেটের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ৪৮ রানের পর ১২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে আবার ম্যাচ-সেরা বরিশালের এই ক্রিকেটার। কাকতালীয়ভাবে এবার বিপিএলে তার জার্সির নাম্বারও ২১০। তিন বছর আগের স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন মায়ার্স। এদিন ম্যাচ শেষে বরিশালের প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন মায়ার্স সেখানেই উঠেছিলে তার চট্টগ্রামের সুখকর স্মৃতির প্রসঙ্গটা। তাতেই কিছুটা হেসে মায়ার্স বলেন, এখানে খেলার দারুণ স্মৃতি আছে আমার।

সর্বশেষ যখন এখানে খেলেছিলাম তখন আমি অভিষেকেই ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলাম। এখানে ফিরে আসার বিষয়টি দারুণ। ফিরতে পেরে আমি বেশ আনন্দিত।’ চট্টগ্রামের উইকেট খুব উপভোগ করেন জানিয়ে এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার বলেন, ‘মাঠ কিছুটা ছোট। আউটফিল্ড অনেক ফাস্ট। এখানে খেলাটা বেশ উপভোগ করি। এখানে শটের জন্য ভালো পুরস্কার পাওয়া যায়। তাই এখানে ব্যাটিং করাটা আমি দারুণ উপভোগ করি।

মায়ার্স জানালেন, চট্টগ্রামে অনুশীলনের সময় ২১০ রানের সেই ইনিংসটির কথা মাথায় ছিল তার। এটাই তাকে ভালো খেলার অনুপ্রেরণা দিয়েছে।’ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে দুই টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচটি হয় জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। সেই ম্যাচ দিয়েই টেস্ট অভিযাত্রা শুরু কাইল মায়ার্সের। এর আগে জানুয়ারিতে তিনি ওডিআইতে অভিষিক্ত হন মিরপুরে। চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টেই বাজিমাত করেছিলেন এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। বল হাতে সাফল্য ধরা না দিলেও ব্যাট হাতে ছিলেন এককথায় অসাধারণ। প্রথম ইনিংসে ৬৫ বল মোকাবিলায় ৪০ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে দীর্ঘ এক ইনিংস খেলেন মায়ার্স।