সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলা থেকেই অব্যাহতি পেলেন জবি শিক্ষার্থী খাদিজা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরাকে নিউমার্কেট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের (ডিএসএ) আরেকটি মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ১৪ মাস পর গত বছরের নভেম্বরে কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

অভিযোগ গঠনের মতো কোনো উপাদান না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালত।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি মামলা থেকেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তবে মামলার অপর আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে খাদিজাতুল কুবরাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

২০২০ সালের অক্টোবরে ‘সরকারবিরোধী প্রচারণা ও বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করার’ অভিযোগে খাদিজা ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর খাদিজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

অবশেষে ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন খাদিজা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, খাদিজা ও দেলোয়ার দেশের বৈধ প্রশাসনকে উৎখাত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও ঊর্ধ্বতন রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের সম্পর্কে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর প্রচারণা চালানোর ষড়যন্ত্র করেছেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, বিদ্বেষ ও বিভেদ সৃষ্টি করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চান তারা।

২০২০ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাগুলো করার সময় খাদিজার বয়স ছিল ১৭ বছর, কিন্তু তাকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে মামলা করা হয় বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন।

কিডনি রোগ থাকা সত্ত্বেও ঢাকার একটি আদালত বারবার খাদিজার জামিন আবেদন নাকচ করে আসছিলেন।

—-ইউএনবি