সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করা উচিত : চরমোনাই পীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করেছেন। তার ওই পদে থাকার নৈতিক বৈধতা নেই। সম্মান রক্ষার্থে তার নিজ উদ্যোগে পদত্যাগ করা উচিত। শনিবার (২ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় টাউন হল ময়দানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, তিনটি মৌলিক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। স্বাধীনতার ৫৩ বছরেরও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বরং শাসন করা রাজনৈতিক দলগুলো দেশকে ৫ বার শীর্ষ চোরের দেশের তকমা দিয়েছে। এখনো স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক দলগুলো দেশটাকে সেই পথে পরিচালিত করতে চায়।

কিন্তু সেটি কখনোই বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।
দলের যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবে সংঘটিত গণহত্যার বিচার, দুর্নীতিবাজদের অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত ঘোষণা ও সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি প্রবর্তন এবং কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। দলের যশোর শাখার সভাপতি মিয়া মুহাম্মদ আব্দুল হালিম সভাপতিত্ব করেন।

সমাবেশে চরমোনাই পীর বলেন, সংবিধান মেনে ছাত্র-জনতার আন্দোলন হয়নি।

তাই সংবিধানের দোহাই দিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না। একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) বা জাতীয় সরকার পদ্ধতির নির্বাচনী ব্যবস্থা চালু করতে হবে। তাহলেই জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে এবং কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে পারবে না।
সমাবেশে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব হোসেন, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ নাজমুল হুদাসহ জেলা ও উপজেলা কমিটির নেতারা বক্তব্য দেন।