সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইমরুক কায়েস নামের এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি আবেদনের উল্লেখ করেন, পুলিশ হেফাজতে নিয়ে বিধি মোতাবেক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে আসামির দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনায় জড়িত বলে মৌখিকভাবে স্বীকার করলেও একেক সময় একেক ধরনের কথা বলেন। তাকে আদালতে জবানবন্দি প্রদানের জন্য বললে আসামি কৌশলে এড়িয়ে যান এবং জবানবন্দি প্রদানে অনিচ্ছা পোষণ করেন।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, আসামির নাম, ঠিকানা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

তিনি ঘটনার বিষয়ে এবং মামলার ভিকটিমকে হত্যার ঘটনা সংক্রান্তে জ্ঞাত আছেন এবং মামলার ঘটনায় পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়াসহ মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটবে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন জামিন ও উন্নত চিকিৎসা চেয়ে প্রদানের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে কারাবিধি অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদানের আদেশ দেন।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ। পরদিন তেজগাঁও থানার হত্যা মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে তাকে ১০ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পরে কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় গত ৩০ অক্টোবর তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মোহাম্মদপুর থানার মামলায় তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।