ওয়াশিংটনের কাছে বুধবার রাতে মাঝ আকাশে একটি বিমান ও আর্মি হেলিকপ্টারের সংঘর্ষের ফলে ৬৭ জন নিহত হয়; এই দুই আকাশযান পুনরুদ্ধার করতে শুক্রবারও প্রচেষ্টা অব্যাহত ছিল।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেছেন যে আর কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই এবং পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টার জন্য কাছাকাছি পটোম্যাক নদীতে, যেখানে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে শত শত উদ্ধারকারী সংস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। ডিসি ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল সার্ভিসেসের প্রধান বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, “আমরা এখন এমন এক পর্যায়ে আছি যেখানে আমরা একটি উদ্ধার অভিযান থেকে পুনরুদ্ধার অভিযানে চালিয়ে যাচ্ছি যাচ্ছি।”
যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সংস্থার তদন্তকারীরা আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বিমান থেকে তথাকথিত ‘ব্ল্যাক বক্স’ উদ্ধার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি আর্মি হেলিকপ্টারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর ওই বিমান কয়েক টুকরো হয়ে পোটোম্যাক নদীতে আছড়ে পড়েছিল। দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, ডুবুরিরা “বিমানটিকে উদ্ধার করতে” ও অতিরিক্ত উপাদান খুঁজে বের করতে চাইছে।
জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড এই সংঘর্ষের কারণ অনুসন্ধান করতে বিমানের ‘ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার’ ও ‘ককপিট ভয়েস রেকর্ডা’র থেকে তথ্য সংগ্রহ করবে।
পিএসএ এয়ারলাইন্সের শাখা সংস্থা পরিচালিত আমেরিকান এয়ারলাইন্সের এই ফ্লাইটে থাকা ৬৪ জন যাত্রী ও বিমানকর্মীর কেউই বেঁচে নেই। আর্মি ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারে থাকা তিনজন কর্মীও নিহত হয়েছেন, বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেন ফেডারেল ও স্থানীয় কর্মকর্তারা। দুটি আকাশযানই বুধবার রাতে রনাল্ড রেগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দরের কাছে পোটোম্যাক নদীতে বিধ্বস্ত হয়েছে; ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে ওয়াশিংটনের বাইরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফেডারেল বিমান বিষয়ক প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন মোতাবেক, এই সংঘর্ষ যখন ঘটে তখন একজন বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণকারী কাজ করছিলেন; বিমানবন্দরের টাওয়ারে সাধারণত দুইজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “দিনের ওই সময় ও বিমান চলাচলের পরিমাণের নিরিখে অবস্থানের রূপরেখা স্বাভাবিক ছিল না।”


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ