সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানসহ একাধিক দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

 

যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি দেশের নাগরিকের জন্য নতুনভাবে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই বাছাই শেষে আগামী সপ্তাহে এই সিদ্ধান্ত আসতে পারে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নির্ভরযোগ্য তিনজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এবারের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তালিকায় আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থাকতে পারে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই তিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা তালিকায় আফগানিস্তানের নাম থাকতে পারে। একই তালিকায় পাকিস্তানের নামও অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুটো বাদে তালিকায় থাকতে পারে, এমন সম্ভাব্য দেশের নাম অবশ্য তারা জানাতে পারেননি।

প্রথম মেয়াদেও এ ধরনের কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন ট্রাম্প। সেবার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সাতটি দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল মার্কিন প্রশাসন। বেশকিছু রদলবদলের পর ২০১৮ সালে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ২০১৮ সালে ওই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে।

ট্রাম্পের পর ক্ষমতায় এসে ২০২১ সালে ওই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ট্রাম্পের জারিকৃত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাকে মার্কিন চেতনার পরিপন্থি মনে করেছিলেন তিনি।

তবে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান বা প্রবেশে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ঝুঁকি কঠোরভাবে যাচাইয়ের জন্য ২০ জানুয়ারি ক্ষমতায় এসেই এক নির্বাহী আদেশ জারি করেন ট্রাম্প। সেই আদেশ অনুযায়ী, কোন দেশের ভ্রমণ আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা উচিত, সে সংক্রান্ত একটা তালিকা ১২ মার্চের মধ্যে পেশ করার জন্য ক্যাবিনেটে সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তত্ত্বাবধান ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচার বিভাগ, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিচালকের কার্যালয়। সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করে কোনও সাড়া পায়নি রয়টার্স।

নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি হলে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী বা বিশেষ অভিবাসী ভিসা নিয়ে অবস্থানকারী আফগান নাগরিকরা। তাদের মধ্যে অনেকেই তালেবান সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশত্যাগে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের পর কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। দেশটিতে তারা ইসলামিক স্টেটের আঞ্চলিক শাখার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত আছে। এদিকে, পাকিস্তানেও সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গে নিয়মিত সংঘাত চলছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালীন সময় থেকেই অভিবাসী ইস্যুতে কঠোর অবস্থান নেওয়া অঙ্গীকার করে আসছিলেন ট্রাম্প। নিজের কথামতোই এবার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছেন তিনি। ২০২৩ সালের অক্টোবরের এক ভাষণে তিনি গাজা, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ যেকোনও নিরাপত্তা ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে অভিবাসন সীমিত করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছিলেন।