সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

উত্তেজনার মধ্যেই নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছে পাকিস্তান

সামরিক এই মহড়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও সৈনিকরা তাদের পেশাদার সামরিক দক্ষতা প্রদর্শন করেন। ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের সঙ্গে চলমান সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই বড় পরিসরে সামরিক মহড়া শুরু করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১ মে) পাকিস্তানি সম্প্রচারমাধ্যম জিও টিভি দেশটির নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, পূর্ণমাত্রার এই যুদ্ধ মহড়ায় আধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার ও যুদ্ধকৌশল চর্চা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সামরিক এই মহড়ায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও সৈনিকরা তাদের পেশাদার সামরিক দক্ষতা প্রদর্শন করেন। এই মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো— শত্রুর যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের মুখে কঠোর ও কার্যকর জবাব নিশ্চিত করা।

এই সামরিক মহড়া এমন একসময় শুরু হলো, যখন লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) বরাবর কিয়ানি ও মন্ডল সেক্টরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অকারণে’ গুলি চালানোর জবাবে পাকিস্তানি বাহিনী একটি ভারতীয় চৌকি ধ্বংস করে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, তাদের পাল্টা হামলায় ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের চক্রপুত্রাসহ একাধিক বাংকার ধ্বংস হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে এক সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়। ভারত হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করলেও এ বিষয়ে তারা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেনি।

এই হামলার ঘটনার জেরে ভারত কূটনৈতিক ও কৌশলগত পদক্ষেপ নেয়— সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি স্থগিত, পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা বাতিল এবং ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বন্ধ করা হয়।

পাকিস্তান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ভারতের কূটনৈতিক ও সামরিক উপদেষ্টাদের বহিষ্কার করে, ভারতীয় নাগরিকদের (শিখ তীর্থযাত্রী ছাড়া) ভিসা বাতিল করে এবং সীমান্তের নিজ অংশ বন্ধ করে দেয়।

ইসলামাবাদ স্পষ্টভাবে জানায়, তারা এই হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং তারা একটি বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ আন্তর্জাতিক তদন্তে অংশ নিতে আগ্রহী। এদিকে নিরাপত্তা সূত্রগুলো বলছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত এবং আগ্রাসনের জবাবে শক্ত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম।