সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

স্ত্রীসহ হানিফের বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

মাহবুবুল আলম হানিফ/ ফাইল ফটো

 

৩২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও প্রায় ১১০ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল আলম হানিফ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

একই সঙ্গে তার ছেলে ফাহিম আফসার আলম ও ফারহান সাদিক আলম এবং মেয়ে তানিশার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পাওয়ায় সম্পদের নোটিশ জারি করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ জুলাই) মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাবেক এমপি মাহবুবুল আলম হানিফ পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে জ্ঞাত আয়ের উৎসবিহীন ২৭ কোটি ৩৯ লাখ ২৯ হাজার টাকার সম্পদের মালিক হন এবং তা ভোগদখলে রাখেন।

এ ছাড়া, তার নামে ১৮টি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে মোট ৮৬ কোটি ৬৬ লাখ ৯৪ হাজার ৯৭২ টাকার লেনদেন পাওয়া গেছে। যা সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে দুদক।

অন্যদিকে তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের বিরুদ্ধেও জ্ঞাতআয় বহির্ভূত ৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯০ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, তার ১৬টি ব্যাংক হিসাবে ৩৩ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ৬০৯ টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। যে কারণে তার বিরুদ্ধে অপর মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। তাদের সন্তানদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করা হয়েছে।

এনএনবাংলা/আরএম