সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ভারতীয় ভিসা বন্ধে কলকাতার ‘মিনি বাংলাদেশে’ বছরে ক্ষতি ১ হাজার কোটি রুপি

ছবি: দ্য উইক

 

বাংলাদেশি পর্যটক যাতায়াত না থাকায় গত এক বছর ধরে টিকে থাকার সংগ্রাম করছেন কলকাতার ব্যবসায়ীরা।

এরইমধ্যে নিউ মার্কেট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ও মারকুইস স্ট্রিটের বেশকিছু দোকান, হোটেল ও ট্রাভেল কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে। যারা টিকে আছেন তারা এখন পরিস্থিতি বদলের অপেক্ষায়।

কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটককেন্দ্রিক ব্যবসার চিত্র নিয়ে সোমবার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এতে নিউমার্কেট ঘেঁষা এলাকাকে ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকায় রাজনৈতিক পালাবদলের কারণে কলকাতায় ব্যবসায়িক ক্ষতি ছাড়িয়েছে ১ হাজার কোটি রুপির বেশি।

সুলভ মূল্যে হোটেল, বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ, হাসপাতাল এবং রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনাল কাছে থাকায় ফ্রি স্কুল, মারকুইস স্ট্রিট ছিল বাংলাদেশিদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য।

বর্তমানে এসব এলাকার গলিগুলো নিস্তব্ধ। কয়েকটি ব্যবসায়ী সমিতির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ‘মিনি বাংলাদেশ’-এর ক্ষতি হয়েছে ১ হাজার কোটি রুপির বেশি। কোনো কোনো ব্যবসায়ী আবার এ ক্ষতির অঙ্ক আরো বেশি বলে দাবি করেছেন।

ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী খান বলেন, হোটেল, রেস্তোরাঁ, খুচরা ব্যবসা, ট্রাভেল এজেন্ট, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়, চিকিৎসা সেবা ও পরিবহন থেকে প্রতিদিনের ব্যবসার পরিমাণ ৩ কোটি রুপি। যদি নিউ মার্কেট ও বুররাবাজারের ক্ষতিও ধরা হয়, তাহলে অঙ্কটি ৫ হাজার কোটি রুপিরও বেশি দাঁড়ায়।

এলাকাটির বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু প্রতিষ্ঠান স্থানীয় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। মারকুইস স্ট্রিটের একটি ট্রাভেল কোম্পানির ব্যবস্থাপক প্রবীর বিশ্বাস বলেন, এক বছর আগেও এখানে বাস পার্কিংয়ের জায়গা হতো না। এখন টানা কয়েকদিন চলে যায়, কিন্তু কোনো পর্যটক আসে না।

বাংলাদেশি টাকায় লেনদেন করা মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা এখন প্রায় বন্ধ। প্রায় ৪০ শতাংশ ছোট ও মাঝারি রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে গেছে। পর্যটননির্ভর আরও কিছু খাত যেমন, বাসায় রান্না করা খাবার সরবরাহকারী, হোমস্টে, ট্যুর গাইড ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। মারকুইস স্ট্রিট মানি এক্সচেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়শেনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইনতেজার বলেন, পুরোপুরি বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। এখন আমরা টিকে থাকার লড়াই করছি।

এনএনবাংলা/আরএম