সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হুথি প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আনসারুল্লাহ আন্দোলনের (হুথি, ইরান ও হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ) প্রধানমন্ত্রী আহমেদ গালেব আল-রাহাভি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে একটি স্থানীয় সূত্র। খবর মেহের নিউজের।

নিহতের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ওই সূত্র রুশ বার্তা সংস্থা স্পুটনিককে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সানার দক্ষিণাঞ্চল হাদাহ এলাকায় এ হামলা চালানো হয়।

সূত্রটির ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হাদাহ এলাকার একটি বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা বর্ষণ করে। এতে প্রধানমন্ত্রী আল-রাহাভি, তার কয়েকজন সহযোগীসহ অন্তত চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও অনেকে আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়। আনসারুল্লাহ আন্দোলন গত বছরের ১০ আগস্ট আল-রাহাভিকে তাদের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। সূত্রটি ইঙ্গিত দিয়েছে, আনসারুল্লাহ শিগগিরই তার মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে পারে।

তবে ভিন্নমতও উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে আনসারুল্লাহ আন্দোলনের একজন কর্মকর্তা দাবি করেন, ইসরায়েলের বিমান হামলার উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন, এবং ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডারদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে—এমন তথ্য সঠিক নয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইয়েমেনের রাজধানী সানায় বিমান হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করে, আনসারুল্লাহ-নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনীর একাধিক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইয়েমেনি কর্মকর্তা নসর আল-দীন আমের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। তার বক্তব্যে বলা হয়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী বা সেনাপ্রধানের মতো শীর্ষ কমান্ডাররা এ হামলার লক্ষ্য ছিলেন না।

চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ হামলার ঘটনায় অঞ্চলজুড়ে নতুন করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

এনএনবাংলা/