সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

প্রতিরক্ষা বিভাগের নাম ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের নাম পরিবর্তন করে যুদ্ধ বিভাগ বা ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’ রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) তিনি এ সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন।

ট্রাম্পের আদেশের পর ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদর দপ্তরের সাইনবোর্ডগুলোও দ্রুত পরিবর্তন করে ফেলেছে পেন্টাগন। সেই সঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের পদবিকে ‘যুদ্ধমন্ত্রী’ এবং তার পরের কর্মকর্তা স্টিভ ফেইনবার্গের পদবিকে ‘উপ-যুদ্ধমন্ত্রী’ করা হয়েছে।

ওভাল অফিসে এক অনুষ্ঠানে নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। নাম পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বৃহত্তর পরিবর্তনের অংশ। এটি সামরিক বিজয়ের একটি নতুন যুগের সূচনা করবে।’

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন বিরল। এর জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়।

ট্রাম্পের ‘যুদ্ধমন্ত্রী’ পিট হেগসেথ এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্পের কাজকে সমর্থন করে আসছেন। হেগসেথ বলেন, ‘আমরা কেবল প্রতিরক্ষা নয়, আক্রমণভাগেও যাব।’

উল্লেখ্য, ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগকে ‘যুদ্ধ বিভাগ’ বলা হত। এরপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কংগ্রেস সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীকে একীভূত করে।

ইতিহাসবিদরা বলছেন, পারমাণবিক যুগে যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত প্রতিরোধের দিকে মনোনিবেশ করেছিল, তাই ‘প্রতিরক্ষা বিভাগ’ নামটি বেছে নেওয়া হয়েছিল।

এনএনবাংলা/