সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত শাবানা মাহমুদ

 

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কায়ার স্টারমার তার মন্ত্রিসভায় রদবদল করেছেন। পরিবর্তনের অংশ হিসেবে বিচারমন্ত্রী ও লর্ড চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী শাবানা মাহমুদকে হোম সেক্রেটারি বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত করা হয়েছে।

গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, শাবানা মাহমুদ হলেন প্রথম মুসলিম নারী, যিনি যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্ব পেলেন। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই মন্ত্রী অভিবাসন, পুলিশিং এবং জাতীয় নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা জাতিকে রক্ষা করেছেন। আজ আমরা একটি নতুন অধ্যায় শুরু করছি। আমরা নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদকে স্বাগত জানাই।

নিজের এক্স পোস্টে শাবানা লিখেছেন, স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা আমার জীবনের সম্মানের। সরকারের প্রথম দায়িত্ব হলো তার নাগরিকদের নিরাপত্তা। দায়িত্ব পালনকালে প্রতিদিন, আমি সেই উদ্দেশ্যেই নিবেদিত থাকব।

কে এই শাবানা মাহমুদ?

১৯৮০ সালে বার্মিংহামে জন্মগ্রহণকারী শাবানা তার শৈশবের কিছু অংশ যুক্তরাজ্য এবং সৌদি আরব উভয় দেশেই কাটিয়েছেন। তিনি অক্সফোর্ডের লিংকন কলেজে আইনে অধ্যয়ন করেন এবং রাজনীতিতে প্রবেশের আগে ব্যারিস্টার হিসেবে অনুশীলন করেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বার্মিংহাম লেডিউডের পার্লামেন্ট মেম্বার নির্বাচিত হন। তিনি লেবার পার্টির নেত্রী হিসেবে সাফল্য পেয়েছেন। এবং একসময় ছায়া মন্ত্রিসভা এবং সরকার উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বিচারমন্ত্রী এবং লর্ড চ্যান্সেলর থাকাকালীন তিনি কারাগারের ভিড় কমাতে সংস্কার বাস্তবায়ন করেন। যার মধ্যে ছিল ‘আগাম মুক্তি কর্মসূচি’। গাল্ফ নিউজ উল্লেখ করেছে, তিনি সাজা সুরক্ষা এবং মানবাধিকার আইনের বিষয়েও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন।

এনএনবাংলা/