সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ১৫ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বিরুদ্ধে মানহানি ও মিথ্যা প্রচারের অভিযোগে মামলা করেছেন।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি “দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে ও অধঃপতিত পত্রিকার” বিরুদ্ধে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। খবর স্কাই নিউজের।

ফ্লোরিডার মার্কিন জেলা আদালতে করা এ মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, নিউইয়র্ক টাইমসের দুটি বই, বেশ কিছু নিবন্ধ এবং দুই সাংবাদিকের লেখা সরাসরি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক প্রচারের অংশ। ট্রাম্পের দাবি—দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকাটি ডেমোক্র্যাটদের পক্ষপাতমূলক অবস্থান নিয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে গত নির্বাচনে কমলা হ্যারিসকে সমর্থন করার বিষয়টি তিনি এর প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমস একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে দাবি করা হয় ট্রাম্প জেফ্রি এপস্টিনকে তার ৫০তম জন্মদিনে অশালীন বার্তা পাঠিয়েছিলেন। বার্তায় এক নারীর শরীরের অঙ্কন ছিল এবং তাতে ‘ডোনাল্ড’ নামে সই করা ছিল। এ ছাড়া এপস্টিনকে দেওয়া একটি বড় চেকের ছবিও প্রকাশিত হয়, যেখানে স্বাক্ষর ছিল ‘ডিজেট্রাম্প’। তবে ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ওই লেখা ও সই তার নয়।

ওই তথাকথিত ‘বার্থডে বুক’-এ এপস্টিনের জন্য ব্রিটেনের সাবেক মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসনের বার্তাও পাওয়া যায়। এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক ফাঁস হওয়ায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতের পদ থেকেও সরে দাঁড়ান।

ট্রাম্প বহুবার বলেছেন, এপস্টিনের সঙ্গে তার কোনো অনৈতিক সম্পর্ক ছিল না, যদিও একসময় তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল।

এদিকে, নিউইয়র্ক টাইমসের এক মুখপাত্র প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমাদের সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করেছেন, ভিজ্যুয়াল প্রমাণ প্রকাশ করেছেন এবং প্রেসিডেন্টের অস্বীকৃতিও ছাপিয়েছেন। আমরা সত্য অনুসন্ধান অব্যাহত রাখব এবং সাংবাদিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় অটল থাকব।”

 

এনএনবাংলা/.