সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বেলারুশ-রাশিয়ার সামরিক মহড়ায় যোগ দিলো বাংলাদেশ ও ভারত

সম্ভাব্য যেকোনো আগ্রাসনের মুখে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাই করতে যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে রাশিয়া ও বেলারুশ। এই মহড়ায় যুক্ত হয়েছে ভারত, ইরানসহ আরও কয়েকটি দেশ। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ক্রেমলিনের বরাতে রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানিয়েছে—এই মহড়ায় বাংলাদেশও অংশগ্রহণ করেছে।

রাশিয়ার নেতৃত্বে আয়োজিত এই মহড়ায় অংশ নেয় ভারতীয় সেনারা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক শুল্ক নিয়ে বিরোধ চলমান থাকলেও, এই মহড়া দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত উচ্চ শুল্ক আরোপ করায় নয়াদিল্লি কিছুটা চাপে পড়ে। ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করে ভারত ইউক্রেনে মস্কোর সামরিক অভিযানে পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ভারত ও রাশিয়া যেন ধীরে ধীরে চীনের প্রভাবের মধ্যে ডুবে যাচ্ছে। এই মন্তব্য তিনি তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) সম্মেলনে তিন দেশের পারস্পরিক অবস্থানকে ইঙ্গিত করে করেছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ দিনব্যাপী এই মহড়ায় অংশ নিতে দেশটি ৬৫ জন সেনা সদস্য পাঠিয়েছে। শুধু ভারত নয়, ইরান, বাংলাদেশ, বুরকিনা ফাসো, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) এবং মালি থেকেও সামরিক বাহিনী ও বিশেষ টাস্ক ফোর্স অংশ নেয়। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সামরিক পোশাক পরে মহড়ার শেষ ধাপের নেতৃত্ব দেন।

তাসের প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছর ইরানও মহড়ায় যোগ দিয়েছে। যদিও তাদের সেনা উপস্থিতি সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবুও তেহরানকে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্র দাবি করছে, ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত শাহেদ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়াকে সরবরাহ করেছে ইরান। এছাড়া সম্প্রতি ইসরাইলের হামলার পর মস্কো ও তেহরান কাস্পিয়ান অঞ্চলেও যৌথ মহড়া পরিচালনা করেছে।

বেলারুশ-রাশিয়া পরিচালিত এই সামরিক মহড়ায় প্রায় এক লাখ সেনা অংশ নেয়। পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বোমারু বিমান ও যুদ্ধজাহাজসহ বিশাল সামরিক শক্তি প্রদর্শিত হয়। ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর কারণে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা যখন চরমে, তখনই এই মহড়াটি অনুষ্ঠিত হলো। এর কয়েক দিন আগেই রাশিয়ার একটি ড্রোন পোল্যান্ডের আকাশে দেখা গিয়েছিল।

 

এনএনবাংলা/