সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

শাহবাগে প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের পদযাত্রা আটকে দিলো পুলিশ

 

নিশ্চিত কর্মসংস্থানসহ পাঁচ দফা দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করে চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদ। তবে শাহবাগ থানার সামনে এসে তাদের যাত্রা আটকে দেয় পুলিশ।

রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে সংগঠনটির আহ্বায়ক আলী হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জন প্রতিবন্ধী এই পদযাত্রা শুরু করেন। শাহবাগ থানার সামনে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের পথরোধ করে। এসময় আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেড সরাতে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।

আন্দোলনকারীরা জানান, প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত হয়ে আসছে। তাই তাদের দাবি আদায়ে তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রতিবন্ধিতার ধরন অনুযায়ী বেকার প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থানের নির্দেশনার দাবি জানান।

তারা হুঁশিয়ারি দেন, অবিলম্বে দাবি পূরণের উদ্যোগ না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি শাহবাগে ব্যারিকেড না সরালে তারা সেখানেই নিজেদের সার্টিফিকেট পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানাবেন বলে ঘোষণা দেন।

সংগঠনটির সদস্য সচিব আলিফ হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল হোসেন পিয়াস পাঁচ দফা দাবি উপস্থাপন করেন।

তাদের দাবিগুলো হলো:

১. প্রধান উপদেষ্টার নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী বেকারদের জন্য বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা করা।

২. প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ শতাংশ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে ৫ শতাংশ স্বতন্ত্র প্রতিবন্ধী কোটা সংরক্ষণ করা।

৩. জাতীয় শ্রুতিলেখক নীতিমালা সংশোধন করে শ্রুতিলেখক মনোনয়নে স্বাধীনতা প্রদান।

৪. সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ব্রেইলভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম ও পিএইচটি সেন্টারের শূন্য পদে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ নিয়োগের ব্যবস্থা।

৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করা (সাধারণ প্রার্থীদের ৩৫ হলে তাদের জন্য ৩৭ বছর নির্ধারণ)।

এনএনবাংলা/