সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক কারও নির্দেশনায় নয়, কারও বিরুদ্ধেও নয়: চীনা রাষ্ট্রদূত

 

বাংলাদেশের স্বাধীন ও আত্মনির্ভর পররাষ্ট্রনীতির প্রশংসা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা তৃতীয় কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়, আবার এটি কারও নির্দেশনাতেও পরিচালিত হয় না।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ–চীন সম্পর্ক: এগিয়ে যাওয়ার পথ’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে অ্যাসোসিয়েশন অব ফরমার অ্যাম্বাসেডরস (AOFA)।

ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশ সব সময় স্বাধীন ও আত্মনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছে। চীন এ নীতিকে শ্রদ্ধা করে এবং সমর্থন জানায়। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক জনগণের কল্যাণে, কোনো বিদেশি শক্তির নির্দেশনায় নয়।’

তিনি আরও বলেন, এই সম্পর্ক আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে এবং ‘কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা চাপের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।’

চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী। ‘গত মার্চে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস চীন সফর করেছেন। এর আগে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারাও চীন সফর করেছেন। এটাই দুই দেশের সম্পর্কের শক্তি।’

সার্ক অকার্যকর হয়ে পড়ায় বাংলাদেশ–চীন–পাকিস্তান ত্রিদেশীয় সম্পর্ক আঞ্চলিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মত দেন তিনি।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয় দেশই চীনের সহায়তা চেয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি, কিন্তু এটি এককভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়। বিষয়টি জটিল এবং এতে অনেক আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডার জড়িত।’
তার দাবি, কিছু দেশ ও সংস্থা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অগ্রসর হোক—এটা চায় না।

তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারই তিস্তা প্রকল্পে চীনকে আহ্বান জানিয়েছিল। ২০২৩ সালে আমরা নদী ব্যবস্থাপনার একটি সমন্বিত প্রস্তাব দিয়েছিলাম, কিন্তু সাড়া পাইনি। পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেপ্টেম্বর মাসে নতুন করে আমাদের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।’

চীন ইতিমধ্যে এ প্রকল্প নিয়ে অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি ডলার এবং সম্পন্ন হতে সময় লাগবে ৭–৮ বছর।

চীনা রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, চট্টগ্রামে চীনের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজও অগ্রসর হচ্ছে। ‘নথিপত্রের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। নভেম্বরের মধ্যে সব সই সম্পন্ন হওয়ার আশা করছি। এখন পর্যন্ত ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান ১০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। ডিসেম্বরের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হবে।’

এনএনবাংলা/