সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

২২ দিনে গড়ালো ইবতেদায়ি শিক্ষকদের আন্দোলন, অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

ছবি: শামীম আহমেদ

 

ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়ক অবরোধ করে জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবি পূরণের জন্য তাদের অবস্থান কর্মসূচি টানা ২২ দিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছেন। আশ্বাস ও আলোচনার পরও দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষকরা আন্দোলন থেকে সরে আসেননি। বরং অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন সব ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকে জাতীয়করণের আওতায় আনা না হলে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

সোমবার (৩ নভেম্বর) শিক্ষকেরা ২২তম দিনের মতো জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান করছেন। এর আগে রবিবার (২ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশ্বাস দিয়েছিল যে, সোমবারের মধ্যে অনুদানভুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোর জাতীয়করণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

রবিবারও শিক্ষকরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেন। পরে দুপুরে তারা যমুনা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। বিকেলে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে আলোচনা করেন। সেখানে থেকে ফিরে এসে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানান।

তবে এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট নন অনুদানবিহীন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। তারা জানিয়েছেন, অনুদানভুক্ত ও অনুদানবিহীন সব ইবতেদায়ি মাদ্রাসাকে জাতীয়করণের আওতায় আনা না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষকরা গত ১২ অক্টোবর থেকে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম জাতীয়করণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ৩০ অক্টোবর তারা বিকালের মধ্যে সংশ্লিষ্ট গেজেট প্রকাশের আল্টিমেটাম দেন এবং ২ নভেম্বর প্রেসক্লাব থেকে যমুনা অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা দেন।

এর আগে ২৯ অক্টোবর সচিবালয় অভিমুখে মিছিল নেওয়ার সময় আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও জলকামান নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষক আহত হন, যাদের অনেকেই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. সামছুল আলম পুলিশি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন এবং আহতদের চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন।

এনএনবাংলা/