সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গণতন্ত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল

 

গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে গণতন্ত্র আবারও ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “একটি চক্রান্ত চলছে গণতন্ত্রকে আবারও ধ্বংস করার জন্য।”

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বর আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি আমাদের পথপ্রদর্শক, কারণ তখন দেশপ্রেমিক সৈনিক ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আধিপত্যবাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়েছিল। আজও আবার গণতন্ত্রকে ধ্বংসের জন্য ষড়যন্ত্র চলছে, কিন্তু আমরা সেই পথেই এগোবো—যেখানে জনগণের ভোটের অধিকার ও বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত হবে।”

জামায়াতে ইসলামীর গণভোট প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই বিষয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আমরা স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই অবস্থানই আমাদের চূড়ান্ত বক্তব্য।”

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য তুলে ধরে ফখরুল বলেন, “১৯৭৫ সালের এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি একদলীয় বাকশাল থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন এবং রাষ্ট্র ও অর্থনীতিতে যুগান্তকারী সংস্কার চালু করেন।”

সকালে বিএনপি মহাসচিব, স্থায়ী কমিটির সদস্য, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল, যুগ্ম মহাসচিব ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দিনটি উপলক্ষে বিএনপি কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনগুলো ঢাকাসহ সারাদেশে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুষ্পস্তবক অর্পণের কর্মসূচি পালন করে। বিকেলে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বের হওয়া বিএনপির শোভাযাত্রা কাকরাইল, শান্তিনগর, মালিবাগ, মৌচাক, মগবাজার, বাংলামটর হয়ে সোনারগাঁও হোটেল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

এনএনবাংলা/