সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নতুন বেতন কাঠামোর রূপরেখা দিয়ে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

ফাইল ফটো

 

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর একটি রূপরেখা (ফ্রেমওয়ার্ক) তৈরি করে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল চূড়ান্ত করা হবে পরবর্তী সরকারের সময়।

বুধবার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, “পে কমিশনের কাজটা অত্যন্ত জটিল এবং স্বাধীনভাবে তারা কাজ করছে। সিভিল, সামরিক ও অন্যান্য খাতের তিনটি আলাদা রিপোর্ট পাওয়া গেলে তা রিকনসাইল করতে সময় লাগবে। তাই আমরা পুরো কাঠামো এখনই দিতে পারব কিনা কিছুটা অনিশ্চিত। তবে আমরা একটি ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে যাব, যাতে পরবর্তী সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”

অর্থ উপদেষ্টা জানান, “সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অর্থের সংস্থান। পে-স্কেল চূড়ান্ত করার আগে আমাদের বাজেট ও অন্যান্য খাতের ব্যয়ও বিবেচনায় নিতে হবে—বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতে।”

সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা নিজেরাই নতুন পে-স্কেলের উদ্যোগ নিয়েছি। ৭-৮ বছর কোনো পরিবর্তন হয়নি। এখন আমরা চেষ্টা করছি। তাই একটু ধৈর্য ধরতে হবে। আগামী সরকার এ বিষয়টি অবশ্যই সিরিয়াসলি নেবে।”

এ সময় জাতিসংঘের তিন সংস্থার রিপোর্টে উল্লেখিত খাদ্য সংকট ও অপুষ্টি সমস্যা নিয়েও কথা বলেন তিনি। অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশে পরিস্থিতি ভয়াবহ নয়। আমরা খাদ্য মজুত নিশ্চিত করছি। নিরাপত্তার জন্য ধান ও চালের দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে, যাতে কৃষক লাভবান হয় এবং বাজারেও ভারসাম্য থাকে।”

এনএনবাংলা/