সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

৫ ব্যাংক একীভূত করা ছাড়া বিকল্প ছিল না: গভর্নর

 

আর্থিকভাবে দুর্বল পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করা ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। রোববার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ইসলামিক ফিন্যান্স সামিটে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গভর্নর বলেন, পরিস্থিতি এমন ছিল যে ব্যাংকগুলোকে একীভূত করা ছাড়া উপায় ছিল না। সুশাসন নিশ্চিত করা গেলে এই প্রক্রিয়া দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে আমরা আশা করি।

তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতাই ব্যাংকিং খাতকে গতিশীল ও শক্তিশালী করার প্রধান শর্ত। বিনিয়োগকারী, ডিপজিটর ও কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া খাতটিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

এর আগে গত ৫ নভেম্বর আর্থিক দুরবস্থার কারণে পাঁচটি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক— এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক—কে অকার্যকর ঘোষণা করে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

পরবর্তীতে ৯ নভেম্বর গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ডের বিশেষ অনলাইন সভায় এই পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করে পরিচালনার জন্য ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে নতুন এক রাষ্ট্রায়ত্ত শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক গঠনের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেককে।

এনএনবাংলা/