সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ঢাকার ভূমিকম্পে কেঁপেছে কলকাতাও

 

বাংলাদেশে আঘাত হানা ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠেছে ভারতের কলকাতা ও পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা।

ভূমিকম্পের সময় কলকাতার বহু এলাকার বাসিন্দারা সিলিং ফ্যান, দরজা-জানালা ও দেয়ালে ঝোলানো সামগ্রী দুলতে দেখেন। আতঙ্কে অনেকেই ঘর–বাড়ি ও অফিস থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহানগরী কলকাতা ছাড়াও হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় মানুষ ঘরবাড়ি থেকে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মুহূর্তটির ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও কোচবিহারেও ভূমিকম্পের কম্পন টের পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের বিভিন্ন জায়গায়ও ভূকম্পনের ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ভারতের কোথাও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, ভারতীয় সময় সকাল ১০টা ৮ মিনিটে অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের নরসিংদী জেলা। উপকেন্দ্র ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় কলকাতাসহ পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কম্পন তীব্রভাবে অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়ালেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে ভূমিকম্পের পর ভবনগুলোতে কোনো ফাটল বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এনএনবাংলা/