সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম স্থগিতের দাবি জানিয়ে রিট দায়ের করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। রিটটি দলের মহাসচিব মো. ইয়ারুল ইসলাম আজ বুধবার হাইকোর্টে জমা দিয়েছেন।

হাইকোর্টের বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে রিটটি শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, জানিয়েছেন আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম।

রিটে চাওয়া হয়েছে, নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় নির্বাহী বিভাগের নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনের সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়োগ অবৈধ ঘোষণা করতে এবং ‘ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন’ গঠন করতে নির্দেশনা জারি করার জন্য।

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাহী বিভাগের কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের সচিবালয় ও নির্বাচনের কাজ পরিচালনায় দায়িত্ব নেওয়ায় সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বিচার বিভাগের মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনেরও নিজস্ব কর্মী থাকা প্রয়োজন। এজন্য ‘ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন’ গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনই নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং নির্বাহী বিভাগ শুধুমাত্র সহযোগিতা করবে। কিন্তু বাস্তবে সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রতিটি নির্বাচনের দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগের হাতে দেওয়া হয়। ফলে নির্বাচনে নানা ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ের নির্বাহী বিভাগ আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা ও দায়িত্ববোধ হারিয়েছে। তাদের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে—এটা জনমনে বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাই রিটে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে সচিব, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়োগের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এনএনবাংলা/