সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গাজায় দ্বিতীয় দিনের মতো ভারী বৃষ্টিপাত, শত শত পরিবারের তাঁবু প্লাবিত

 

শীতকালীন ঝড়ের কারণে দ্বিতীয় দফার মতোই ভারী বর্ষণে আক্রান্ত হয়েছে গাজা উপত্যকা। এই পরিস্থিতিতে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয়কেন্দ্রে বসানো শত শত তাঁবুতে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল ভোর থেকে রাত পর্যন্ত চলা একটানা বৃষ্টিপাতের কারণে তাঁবুগুলো পানিতে ডুবে গেছে। এর ফলে ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের দুই বছরের আগ্রাসনের কারণে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর অবস্থা আরও সংকটজনক হয়ে উঠেছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্স বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দক্ষিণের রাফাহ এলাকায় কয়েক ডজন তাঁবু সম্পূর্ণরূপে প্লাবিত হয়েছে।

সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল সতর্ক করেছেন, অঞ্চলে বসবাসরত ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি বাস্তুচ্যুত পরিবার শীতের তীব্রতা এবং জীর্ণ তাঁবুর কারণে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যদি ঝড়ের প্রভাব অব্যাহত থাকে এবং অস্থায়ী আশ্রয় না দেওয়া যায়, তবে মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস সতর্ক করেছে, একটি মেরু নিম্নচাপ বুধবার থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অঞ্চলে প্রভাব ফেলবে, যা লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত পরিবারকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে।

আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলার ফলে বেঁচে থাকা ফিলিস্তিনিদের আবাসস্থলে হাজার হাজার তাঁবু প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে বিছানা, পোশাক এবং খাদ্যও ভিজে গেছে। শত শত পরিবার এখন উষ্ণতা বা যথাযথ আশ্রয় ছাড়া ঠান্ডার মুখোমুখি।

মিডিয়া অফিসের পূর্বের তথ্য অনুযায়ী, দুই বছরের যুদ্ধে ইসরায়েল গাজার অবকাঠামো ধ্বংস করার পর ফিলিস্তিনিদের মৌলিক আবাসনের চাহিদা মেটাতে প্রায় ৩ লাখ তাঁবু এবং প্রিফেব্রিকেটেড ইউনিটের প্রয়োজন।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলার কারণে গাজা পুনর্গঠন করতে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। এই আগ্রাসনে ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে এই হামলা থেমে গেছে।

এনএনবাংলা/