সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হাসিনাকে ফেরাতে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ ঘোষণা

 

ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ সকল হত্যাকারীকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভারতীয় প্রক্সি রাজনৈতিক দল ও সরকারি কর্মকর্তাদের অব্যাহত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি পালন করতে যাচ্ছে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করা ঐক্যবদ্ধ মোর্চা ও জুলাই ঐক্য।

জুলাইয়ের এই দুই সংগঠন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টায় রামপুরা ব্রিজ থেকে শুরু হবে এই কর্মসূচি। এতে অংশ নেবেন দেশপ্রেমিক বাংলাদেশপন্থি সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের একটি অংশ, ডাকসু ও জাকসুর একাধিক নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মানুষ। কর্মসূচির নেতৃত্ব দিবে জুলাই ঐক্যের সংগঠকরা।

জুলাই ঐক্য জানিয়েছে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারতের প্রক্সিরা নতুন করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। চব্বিশের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর ভারতের আশ্রয় পেয়েছে দেশব্যাপী গণহত্যার সঙ্গে জড়িত সকল হত্যাকারী। সম্প্রতি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা জুলাইয়ের নেতা শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলি চালানোর পর ভারত আনন্দ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ ২.০-তে কোনো আধিপত্যবাদের প্রভাব আমরা মেনে নেবো না।

জুলাই ঐক্য জানিয়েছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ভারত সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হবে। উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খুনিদের ফেরত না দিলে, পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য দিল্লি ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দায়ভার নিতে হবে।

সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, ভারত এবং তার প্রক্সিরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচন হতে চায় না। তাই তারা একের পর এক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। চব্বিশের ছাত্র-জনতাকে দেশ রক্ষার আন্দোলনে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তারা সব পেশার ছাত্রদের দলমত নির্বিশেষে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছে।

এনএনবাংলা/