সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

নাইজেরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

 

নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের ওপর গণহত্যা চলছে—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দাবির কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশটিতে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সোকোতো রাজ্যে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অবস্থানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানানো হয়েছে। খবর এএফপি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের আফ্রিকা কমান্ড জানিয়েছে, নাইজেরিয়ার কর্তৃপক্ষের অনুরোধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে আইএসের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছে, তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা বা বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, “সবাইকে বড়দিনের শুভেচ্ছা। নিহত সন্ত্রাসীদেরও। খ্রিস্টান হত্যাযজ্ঞ চলতে থাকলে সংখ্যা (সন্ত্রাসী নিহতের) আরও বাড়বে।”

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চল প্রধানত মুসলিম অধ্যুষিত, যেখানে গত ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে জিহাদি সহিংসতা চলছে। ইসলামপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী বোকো হারামের হামলায় ইতিমধ্যেই ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় ২০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলের গ্রামে গ্রামে ডাকাত বা ব্যান্ডিট হিসেবে পরিচিত অপরাধী গোষ্ঠীর হামলাও চলমান। গত মাসে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, “নাইজেরিয়া যদি খ্রিস্টান হত্যাকাণ্ড না থামায়, তাহলে তাদের সব ধরনের সহায়তা বন্ধ করা হবে।”

এ হামলাটি ট্রাম্পের শাসনামলে নাইজেরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সামরিক পদক্ষেপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশে ধর্মীয় উত্তেজনা বাড়াতে পারে। তবে নাইজেরিয়ার সরকার এবং স্বাধীন বিশ্লেষকরা সহিংসতাকে ধর্মীয় নিপীড়নের প্রেক্ষাপটে দেখার দাবি নাকচ করেছেন।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্র ধর্মীয় স্বাধীনতার কারণে নাইজেরিয়াকে ‘বিশেষভাবে উদ্বেগজনক দেশ’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং নাইজেরিয়ানদের মার্কিন ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এনএনবাংলা/