সাম্প্রতিক
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার প্রথম ধাপে ১,০৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের পাশাপাশি আরাকান আর্মির সঙ্গেও আলোচনা চলছে: শামা ওবায়েদ বাংলাদেশি নাগরিকদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ স্থানে একই সময়ে হাতবোমা বিস্ফোরণ, আটক ১ গুলশান-১ গোলচত্বরে তিন বিঘা জমিতে ৪০ তলা ভবনের ছক এঁকেছে শান্তা হোল্ডিংস বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় চাকরি, লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন ভাটারায় স্কুল বাসে আগুন, মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ের পার্কিংয়ে ককটেল বিস্ফোরণ রমজানের আগে ১০ পণ্যের এলসি খোলার শর্ত শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক এইচএসসি খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখ ৯১ হাজার আবেদন, ‘সবচেয়ে বেশি ইংরেজিতে’
Skip to content

কুড়িগ্রামে প্রচন্ড শীত জেঁকে বসেছে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

oplus_0

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

কুড়িগ্রামে গত কয়েকদিন যাবত শীত জেঁকে বসেছে। এতে সবচেয়ে বেশী বিপাকে পড়েছে হতদরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষজন।

এ শীতে জবুথবু  জনজীবন।

হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগী। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার  সকালে কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১দশমিক ৪ ডিগ্রি  সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

গত ৫দিন ধরে দিনের বেলা সূর্য দেখা যাচ্ছেনা।ঘন কুয়াশার সাথে মেঘের কারনে সুর্য দেখা যায়না। দুপুর গড়িয়ে গিয়ে সুর্য উঠলেও তাতে তাপমাত্রা তেমন না থাকায় ঠান্ডার প্রকোপ দ্বিগুণ বেড়ে গেছে।

অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণের চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষেরা। সদ্য বেড়ে ওঠা বোরো বীজতলা ঘন কুয়াশার কারণে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন এখানকার কৃষকরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান,চলতি বোরো মৌসুমে ইতোমধ্যেই ৫ হাজার ৪৪৫ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে যে কুয়াশা পড়ছে এতে বোরো বীজ তলার ক্ষতির কোন সম্ভাবনা নেই।

জেলার বিভিন্ন ফুটপাতের দোকানে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষজন কম দামের শীতের গরম কাপড় কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষজন এ শীতে কাইল হয়ে পড়েছেন হিমেল হাওয়া শিরশির বাতাস অত্যন্ত ঠান্ডা প্রকোপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

জেনারেল হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমুহে শীতজনিত রোগে প্রতিদিন রোগী ভর্তি হচ্ছে।এ শীতে শিশুসহ বৃদ্ধরা রয়েছে সবচেয়ে ভোগান্তিতে।

এ পর্যন্ত শীতের ঠান্ডায় সরকারিভাবে যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

শীতাত’ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে সদর উপজেলার পশ্চিম বেলগাছা ইউনিয়নের  কল্যাণ মৌজার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল।তিনি  বলেন, গত এক সপ্তাহ থেকে ঘনকুয়াশা ও তীব্র শীতে হতদরিদ্র পরিবারগুলো কাহিল হয়ে পড়েছে। তাদের কিছুটা শীত নিবারনের জন্য এ শীতবস্ত্র দিচ্ছি।আগামীতে আরও কিছু কম্বল বিতরণের চিন্তা রয়েছে।শুক্রবার জু’মা নামাজ শেষে তার নিজ বাড়ির উঠানে  প্রায় আড়াই শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমির উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, জাফর উদ্দিন ও জিয়াউর রহমান প্রমুখ।