সাম্প্রতিক
বিশ্ববাজারে আবার বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিনের সব টিকিট বিক্রি শেষ পার্কিং নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা, প্রকাশ্যে যুবকের গুলিবর্ষণ বাংলাদেশ থেকে ১ হাজার ট্যাক্সিচালক নেবে দুবাই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন ইসলামী ন্যাটোর সামরিক শক্তি কতটা, পাকিস্তান-তুরস্ক-সৌদির হাতে কী কী অস্ত্র বিয়ের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ পূজা চেরি, আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি রেকর্ড ৪ কোটি ডলারে বিক্রি বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুস’, ক্রেতা কে? রোহিঙ্গারা ‘বাঙালি’, মিয়ানমারের বক্তব্যে বাংলাদেশের উদ্বেগ
Skip to content

রংপুরে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা নামাজ

রংপুর ব্যুরো:

রংপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজার নামাজ হয়েছে। গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ যোহর কালেক্টরেট ঈদগাহ্ মাঠে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজার নামাজে ইমামতি করেন নজিরহাট বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ হামিদুল ইসলাম। এতে অংশ নেন, মহানগর বিএনপির অন্যতম সদস্য কাওছার জামান বাবলা, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলীসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ২ হাজারের বেশি নেতাকর্মী। গায়েবানা জানাজা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়। ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজে অংশ নিতে না পারা নেতাকর্মীরা রংপুরে গায়েবানা জানাজার ব্যবস্থা করায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এ সময় আপোসহীন নেত্রীর চিরবিদায়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছে রংপুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংষ্কৃতিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রংপুরে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকালে নগরীর গ্রান্ড হোটেল মোড়স্থ দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারণ ও কোরআন খতমের আয়োজন করে দলটি। এছাড়া বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রংপুর জেলা জুড়ে শোক ব্যানার টাঙ্গানো, সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাইকে কোরআন তেলাওয়াত প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার আগ পর্যন্ত নগরীর ওষুধ ও খাবারের দোকান ছাড়া অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রেখেছিল ব্যবসায়ীরা। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরে অনেকটা সুনসান নিরবতা ছিল।