সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইরানে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪৫

 

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ৭২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

সংস্থাটি জানায়, গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এখন ১৬তম দিনে গড়িয়েছে। এ সময়ের মধ্যে দেশজুড়ে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সহিংস হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে টানা ১০০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলেও জানিয়েছে এইচআরএএনএ।

মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতনের প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রথম আন্দোলনে নামেন। অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই সেই আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে তা সহিংস রূপ নেয়।

এরই মধ্যে নির্বাসিত ইরানি ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির আহ্বানে গত বৃহস্পতিবার হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। পরদিন শুক্রবারও বিক্ষোভকারীরা রাজপথ দখলে নেন। ওই দুই দিন নিরাপত্তাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি গুলি ছোড়া হয়। এতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হন। সরকারি সূত্রের দাবি, সংঘর্ষে নিরাপত্তাবাহিনীর শতাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের হতাহতের বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

ইরান সরকার অভিযোগ করেছে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের উসকানির কারণে পরিস্থিতি সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা’ বিভিন্ন সরকারি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে।

বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে। সর্বশেষ রোববার আবারও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন। তবে কোথায় ও কীভাবে হস্তক্ষেপ করা হবে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

সূত্র: আনাদোলু

এনএনবাংলা/পিএইচ