সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করল মিয়ানমার

 

নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজে) রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানিতে নিজেদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুরু করেছে মিয়ানমার। শুনানির প্রথম দিনেই দেশটি তাদের বিরুদ্ধে আনা গণহত্যার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে।

মিয়ানমার সরকারের প্রতিনিধি কো কো হ্লাইং আদালতে বলেন, গাম্বিয়া তাদের অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে। তার দাবি, মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং প্রমাণের অভাবে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে টেকসই নয়।

এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাওদা জ্যালো আইসিজেতে অভিযোগ করেন, মিয়ানমার একটি পরিকল্পিত ‘গণহত্যামূলক নীতি’ গ্রহণ করে দেশটির সংখ্যালঘু মুসলিম জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের সম্পূর্ণ নির্মূল করতে চেয়েছিল।

২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পরিচালিত বর্বর অভিযানে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিহত হন। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। ২০১৮ সালে জাতিসংঘের এক তদন্ত প্রতিবেদনে মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা এবং অন্যান্য এলাকায় মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তদন্তের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছিল।

তবে মিয়ানমার সরকার শুরু থেকেই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। বর্তমানে দেশটির সামরিক জান্তা সরকারের দাবি, ওই সময়কার সামরিক অভিযান সশস্ত্র বিদ্রোহী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করেই পরিচালিত হয়েছিল।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) আইসিজেতে শুনানিকালে কো কো হ্লাইং বলেন, রাখাইন রাজ্যে সন্ত্রাসীদের অবাধ বিচরণ দেখে মিয়ানমার হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। তার ভাষ্যমতে, তথাকথিত ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ ছিল একটি সামরিক পরিভাষা, যা বিদ্রোহ দমন বা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়।

২০২১ সালে বেসামরিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম আন্তর্জাতিক আদালতে এমন গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হলো মিয়ানমার। বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলার রায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিয়ানমারের অবস্থান এবং রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচারের প্রশ্নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এনএনবাংলা/