সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

এবার কিউবাকে আল্টিমেটাম দিলেন ট্রাম্প

 

ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান পরিচালনার পর এবার ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ কিউবার প্রতি কঠোর বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে না এলে অদূর ভবিষ্যতে কিউবাকে বড় ধরনের মানবিক সংকটের মুখোমুখি হতে হবে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই আদেশ অনুযায়ী, যে কোনো দেশ যদি কিউবায় তেল রপ্তানি করে, তবে সেই দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে যুক্তরাষ্ট্র। এই সিদ্ধান্তের পর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের সরাসরি প্রভাব পড়বে কিউবার হাসপাতাল, খাদ্য সরবরাহসহ জনগণের মৌলিক পরিষেবাগুলোর ওপর। এর ফলে দেশটিতে অচিরেই বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে।

রোববার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “কিউবা যদি আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে এবং কোনো সমঝোতায় পৌঁছায়, তাহলে মানবিক সংকটের কোনো আশঙ্কা থাকবে না। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “কিউবার বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তাদের কাছে অর্থ নেই, তেল নেই। এতদিন তারা ভেনেজুয়েলার তেল ও অর্থের ওপর নির্ভর করত, কিন্তু এখন সে সহায়তাও বন্ধ হয়ে গেছে।”

উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী। তাদের নিউইয়র্কে নিয়ে গিয়ে ফেডারেল কারাগারে বন্দি করা হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশেই এই অভিযান পরিচালিত হয়।

এ অভিযানের পর ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলন, পরিশোধন ও বিক্রির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।

কিউবার কাছ থেকে ঠিক কী ধরনের চুক্তি চান— সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি ট্রাম্প। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, কিউবা সমঝোতায় রাজি না হলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিউবান নাগরিকদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে।

ট্রাম্প বলেন, আমি আশা করি কিউবা দ্রুত আলোচনায় আসবে। তা না হলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বহু কিউবান নাগরিককে কিউবায় ফেরত পাঠানো শুরু করব।

সূত্র : আরটি, ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

এনএনবাংলা/পিএইচ