সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ব্যবহৃত মোবাইল বিক্রি বা হস্তান্তরের আগে নিবন্ধন বাতিল বাধ্যতামূলক করল বিটিআরসি

 

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, ব্যবহৃত মোবাইল ফোন অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল (ডি-রেজিস্ট্রেশন) করতে হবে। ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে মোবাইল ফোন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু রয়েছে।

বিটিআরসি জানায়, এনইআইআর চালুর ফলে বর্তমানে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়েছে। এর মাধ্যমে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনে সিম পরিবর্তন করতে চাইলে বা ফোনটি অন্য কারও ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর কিংবা বিক্রয় করতে চাইলে আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।

ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম নিবন্ধনের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্ট—জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিটিআরসি কল সেন্টার ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও সহায়তা নেওয়া যাবে।

এনএনবাংলা/